ম্যানেজমেন্টের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বজায় রাখে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক : একটি সফল আইপিও মানেই কাজের শেষ নয়; বরং একটি সফল আইপিওর প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয় এরপর থেকেই। আইপিও-পরবর্তী সময়ে যখন একটি কোম্পানি নিয়মিতভাবে পুঁজিবাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলে, তখনই দায়িত্বশীলতা ও কমপ্লায়েন্সের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই পরবর্তী পর্যায়ে স্বচ্ছতা, তথ্য প্রকাশ এবং নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বই শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বজায় ...
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক : একটি সফল আইপিও মানেই কাজের শেষ নয়; বরং একটি সফল আইপিওর প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয় এরপর থেকেই। আইপিও-পরবর্তী সময়ে যখন একটি কোম্পানি নিয়মিতভাবে পুঁজিবাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলে, তখনই দায়িত্বশীলতা ও কমপ্লায়েন্সের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই পরবর্তী পর্যায়ে স্বচ্ছতা, তথ্য প্রকাশ এবং নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বই শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বজায় রাখতে এবং পুঁজিবাজারকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ডিএসইর ট্রেনিং একাডেমির আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী "Continuing Listing Requirements Post IPO" শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপণী দিনে (১২ জানুয়ারী) ডিএসইর পরিচালক মোঃ সাজেদুল ইসলাম এসব কথা বলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএসইসি'র পরিচালক মোঃ আবুল কালাম ও ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল আমিন রহমান। সাজেদুল ইসলাম আরো বলেন, পোস্ট-আইপিও কমপ্লায়েন্সকে অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট ফ্রেম বা আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখা হলেও বাস্তবে এটি একটি চলমান ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা গড়ে ওঠে এবং তা সুদৃঢ় হয়। পোস্ট-আইপিও পর্যায়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা বিনিয়োগকারী সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যত বেশি আত্মবিশ্বাসী ও স্বচ্ছভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থাও তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এই আস্থাই পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, যার সুফল ভোগ করবে বাজারের সকল অংশীজন।
তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিএসইসি'র পরিচালক মোঃ আবুল কালাম, একনাবিন চার্টার্ড অ্যাকান্ট্যান্টস এর পরিচালক মাহমুদুর রহমান, এফসিএ এবং ডিএসই'র লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট এর সিনিয়র ম্যানেজার স্নেহাশীষ চক্রবর্তী কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড ২০১৮, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯, বিএসইসি (রাইটস ইস্যু) রুলস ২০০৬, রিভ্যালুয়েশন গাইডলাইনস, ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং সিস্টেম এবং কমপ্লায়েন্স ইন লিস্টিং রিকুয়ারমেন্টস এন্ড এনফোর্সমেন্টস বিষয়ে আলোকপাত করেন।
পরে সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডিএসই’র পরিচালক মোঃ সাজেদুল ইসলাম প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।
