অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক :   গত সপ্তাহে (১১-১৫ জানুযারী) দেশের উভয় শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। যাতে করে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বা বিনিয়োগও বেড়েছে। সপ্তাহটিতে বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা। তবে সপ্তাহটিতে লেনদেন কমেছে ২০ শতাংশ।

জানা গেছে, গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীদের ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : গত সপ্তাহে (১১-১৫ জানুযারী) দেশের উভয় শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। যাতে করে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বা বিনিয়োগও বেড়েছে। সপ্তাহটিতে বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা। তবে সপ্তাহটিতে লেনদেন কমেছে ২০ শতাংশ।

জানা গেছে, গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বেড়েছে ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা বা ০.১৮ শতাংশ।

বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১ হাজার ৯০০ কোটি ৬১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৩৭২ কোটি ৭৩ কোটি টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৪৭২ কোটি ১২ লাখ টাকার বা ২০ শতাংশ।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪০ পয়েন্ট বা ০.৭৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৯৫৯ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯৯৬ পয়েন্টে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮৬ টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৯৩ টির বা ৩২.৫১ শতাংশের, কমেছে ২৬৮ টির বা ৬৯.৪৩ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫ টির বা ৬.৪৭ শতাংশের।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ৮২ লাখ টাকার। সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৩ পয়েন্ট বা ০.৫১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৯২২ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৭৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮৫ টির দর বেড়েছে, ১৬৯ টির দর কমেছে এবং ২০ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।