অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও অর্থ উপদেষ্টার পরিচিত হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদ বাগিয়ে নেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। যে কারনে প্রত্যাশিতভাবেই শেয়ারবাজার হারিয়েছে গতিপথ এবং তার হাত ধরে কবরস্থানের দিকে ধাবিত রয়েছে। তবে সেই সময় ফুরিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন জায়গা থেকে এই কমিশনের ব্যর্থতা এবং শেয়ারবাজারকে ধংস করে দেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে যার সমাধান ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও অর্থ উপদেষ্টার পরিচিত হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদ বাগিয়ে নেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। যে কারনে প্রত্যাশিতভাবেই শেয়ারবাজার হারিয়েছে গতিপথ এবং তার হাত ধরে কবরস্থানের দিকে ধাবিত রয়েছে। তবে সেই সময় ফুরিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন জায়গা থেকে এই কমিশনের ব্যর্থতা এবং শেয়ারবাজারকে ধংস করে দেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে যার সমাধান করার আশ্বাসও দিয়েছেন তারেক রহমান। এর মাধ্যমে শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের।

এই মাকসুদ কমিশন গত ১৭ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫০৭২ পয়েন্টে। যা বৃহস্পতিবার ৬ পয়েন্ট ও বুধবার ৩ পয়েন্ট কমেছিল।

এর আগে টানা ৩ কার্যদিবসের উত্থানের মধ্যে মঙ্গলবার ১৭ পয়েন্ট, সোমবার ৫৬ পয়েন্ট ও রবিবার ৭৬ পয়েন্ট বেড়েছিল। অর্থাৎ ওই ৩ কার্যদিবসে ডিএসইক্স সূচকটি বাড়ে ১৪৯ পয়েন্ট।

আজ ডিএসইতে ৫২৬ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগেরদিন হয়েছিল ৫৩৬ কোটি ১২ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন কমেছে ৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা বা ২ শতাংশ।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯২ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ১০৭ টি বা ২৭.৩০ শতাংশের। আর দর কমেছে ২২৫ টি বা ৫৭.৪০ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৬০ টি বা ১৫.৩১ শতাংশের।

অপরদিকে সিএসইতে রবিবার ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৫৪ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ৬৬ টির, কমেছে ৭১ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ১৭ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪২৪৭ পয়েন্টে।

আগেরদিন সিএসইতে ১৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ১৮ পয়েন্ট বেড়েছিল।