ফুরিয়ে আসছে মাকসুদ কমিশনের সময়, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শেয়ারবাজার
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের মাধমে দেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার আসবে। এর মাধ্যমে ওই সরকার শেয়ারবাজারে দিকে নজর দেবে বলে এরইমধ্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কারন এরইমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন পক্ষ থেকে রাজনৈতিক উচ্চপদস্থদের সঙ্গে রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অপসারনের দাবি করা হয়েছে।
যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অর্থ উপদেষ্টার পরিচিত হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদ বাগিয়ে নেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। যে কারনে ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের মাধমে দেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার আসবে। এর মাধ্যমে ওই সরকার শেয়ারবাজারে দিকে নজর দেবে বলে এরইমধ্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কারন এরইমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন পক্ষ থেকে রাজনৈতিক উচ্চপদস্থদের সঙ্গে রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অপসারনের দাবি করা হয়েছে।
যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অর্থ উপদেষ্টার পরিচিত হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদ বাগিয়ে নেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। যে কারনে প্রত্যাশিতভাবেই শেয়ারবাজার হারিয়েছে গতিপথ এবং তার হাত ধরে কবরস্থানের দিকে ধাবিত রয়েছে। তবে সেই সময় ফুরিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন জায়গা থেকে এই কমিশনের ব্যর্থতা এবং শেয়ারবাজারকে ধংস করে দেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে যার সমাধান করার আশ্বাসও দিয়েছেন তারেক রহমান।
এই মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন গত ১৭ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২৬৭ পয়েন্টে। যা সোমবার ৫৪ পয়েন্ট ও রবিবার ৩৯ পয়েন্ট বেড়েছিল।
এদিন ডিএসইতে ৭১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগেরদিন হয়েছিল ৭৪৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার। এ হিসেবে লেনদেন কমেছে ৩৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার বা ৫ শতাংশ।
আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯৪ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ১৮৯ টি বা ৪৭.৯৭ শতাংশের। আর দর কমেছে ১৫৩ টি বা ৩৮.৮৩ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৫২ টি বা ১৩.২০ শতাংশের।
অপরদিকে সিএসইতে মঙ্গলবার ৭ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৭ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ১০৩ টির, কমেছে ৬৫ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ২৯ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭৬১ পয়েন্টে।
আগেরদিন সিএসইতে ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ১১১ পয়েন্ট বেড়েছিল।
