এশিয়াটিকের ভবন নির্মাণ নিয়ে প্রতারণার চেষ্টা, শেয়ারে লক-ইন বাড়ালো বিএসইসি
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ কর্তৃপক্ষ শেয়ার দর বাড়াতে উচ্চবিলাসী ভবন নির্মাণের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) প্রকাশ করে। যার আলোকে ওই ভবন নির্মাণ না করা পর্যন্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা/পরিচালকদের এবং প্লেসমেন্টহোল্ডারদের শেয়ারে লক-ইন এর মেয়াদ বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসির ৯৯৯তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা বিএসইসির পরিচালক ও মূখপাত্র মো: আবুল কালাম সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ কর্তৃপক্ষ শেয়ার দর বাড়াতে উচ্চবিলাসী ভবন নির্মাণের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) প্রকাশ করে। যার আলোকে ওই ভবন নির্মাণ না করা পর্যন্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা/পরিচালকদের এবং প্লেসমেন্টহোল্ডারদের শেয়ারে লক-ইন এর মেয়াদ বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসির ৯৯৯তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা বিএসইসির পরিচালক ও মূখপাত্র মো: আবুল কালাম সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের আইপিওর ৯৫.০০ কোটি টাকা ব্যবসায় সম্প্রসারণ(যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ইনস্টলেশন), ফ্যাক্টরি ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করার কথা ছিল। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ওই ফান্ড ব্যবহার সম্পন্ন করতে পারেনি। এরমধ্যে তারা প্রকল্প মূল্যায়ন (Project Evaluation), সম্ভাব্যতা যাচাই(Feasibility Test) ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন (রাজউক কর্তৃক বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ইত্যাদি) ছাড়াই এবং পূর্বঅভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ছাড়াই কোম্পানিটি গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর ৩২-তলাবিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণের উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনা সম্পর্কিত প্রাইস সেনসিটিভ ইনফরমেশন (পিএসই) প্রকাশ করে।
কোম্পানির ৩২-তলাবিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণ তথা রিয়েল এস্টেট/হোটেল ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও কোম্পানিটির সংঘস্মারক(Memorandum of Association) এর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) কর্তৃক পরিদর্শন পরিচালিত হয় এবং উক্ত পরিদর্শন প্রতিবেদনেও উপরোল্লিখিত অসংগতি উদঘাটিত হয়।
ডিএসইর পরিদর্শন প্রতিবেদনের সুপারিশ, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড এর উদ্যোক্তাবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারদের (প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত ১৮৩ জন/প্রতিষ্ঠান) ধারণকৃত শেয়ারের উপর বিদ্যমান লক-ইন (লক-ইন) শেষ হওয়ার তারিখ হতে আরও ৩ বছর বা প্রস্তাবিত ৩২-তলাবিশিষ্ট বিল্ডিংয়ের নির্মাণকাজের সমাপ্তি ও বাণিজ্যিক ব্যবহার চালুকরণের (রাজউক এর অকুপেন্সি সার্টিফিকেটসহ) মধ্যে যেটি পরে সম্পন্ন হবে, ততদিন পর্যন্ত লক-ইন বৃদ্ধিকরণের সিদ্ধান্ত কমিশন কর্তৃক গৃহীত হয়।
