সম্মান নিয়ে পদত্যাগ করবে না মাকসুদ কমিশন : বেইজ্জতির অপেক্ষা
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অর্থ উপদেষ্টার পূর্বপরিচিত হওয়ার সুবাদে অযোগ্যতা সত্ত্বেও খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেন। যার যোগদানের শুরু থেকেই স্টেকহোল্ডাররা তার পদত্যাগ ও অপসারণ দাবি করে আসছে। এমনকি বিএসইসির সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা তার অপসারণ চেয়ে আন্দোলন করেছেন। তারপরেও তিনি সম্মান নিয়ে পদত্যাগ করেননি। নির্লজ্জের মতো বিএসইসির চেয়ারম্যান আকড়ে ধরে আছেন। তাকে অনুসরণ করছে ৪ কমিশনারও।
তবে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের মাধ্যমে ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অর্থ উপদেষ্টার পূর্বপরিচিত হওয়ার সুবাদে অযোগ্যতা সত্ত্বেও খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেন। যার যোগদানের শুরু থেকেই স্টেকহোল্ডাররা তার পদত্যাগ ও অপসারণ দাবি করে আসছে। এমনকি বিএসইসির সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা তার অপসারণ চেয়ে আন্দোলন করেছেন। তারপরেও তিনি সম্মান নিয়ে পদত্যাগ করেননি। নির্লজ্জের মতো বিএসইসির চেয়ারম্যান আকড়ে ধরে আছেন। তাকে অনুসরণ করছে ৪ কমিশনারও।
তবে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের মাধ্যমে এরইমধ্যে কয়েক দফায় বিএসইসিতে পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া বর্তমান সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিবর্তন এনেছে। এমন পরিস্থিতিতে আগেভাগেই সম্মান নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, দুদকের দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ এবং বীমা উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন।
এই পরিস্থিতিতেও সম্মান নিয়ে বিএসইসি থেকে পদত্যাগ করে বিদায় নিতে চান না মাকুসদের নেতৃত্বাধীন কমিশন। যারা অপদস্থ হয়ে অপসারণের মাধ্যমে বিদায় নেওয়ার অপেক্ষা করছে। তবে এই সরকার যদি কোনভাবে তাদের অপসারণ না করে, তাহলে টিকি যাবে, এই ভাবনা তাদের মধ্যে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বিএসইসিতে যেসব চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা রয়েছে, তারা সবাই অযোগ্য। এখান থেকে চাকরি চলে গেলে, তারা বেকার হয়ে পড়বেন। যে কারনে যদি কোনভাবে চাকরিটা বাচানো যায়, সেই আশায় সম্মান ও ব্যক্তিত্বকে বিসর্জন দিয়ে মাটি কামড়ে ধৈর্য্য ধরে আছেন।
জানা গেছে, বিএসইসিতে যোগদানের আগে বিএসইসি চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ সামান্য বেতনে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এসকে ট্রিমসে চাকরীর জন্য ঘুরেছেন। তবে কোম্পানিটিতে তার চাকরী নিশ্চিত করা হয়নি। সেই রাশেদ মাকসুদ এখন শেয়ারবাজারের শত শত কোম্পানির নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে।
এই মাকসুদ কমিশন গত ১৭ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।
সম্প্রতি বিএসইসিতে থাকা নিয়ে রাশেদ মাকসুদকে এক সিনিয়র সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছিলেন। যার আলোকে তিনি পদত্যাগ করলে নিজে করা হবে এবং অপসারণ করলে আল্লাহ করবে বলে জানিয়েছেন। তাই তিনি বিএসইসিতে চাকরি থাকা, না থাকা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছেন।
