অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সী পার্ল বীচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা কোম্পানির কাছে কয়েক বছর আগের আয়কর-ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে সম্প্রতি আয়কর কর্তৃপক্ষ কোম্পানিটির কাছে প্রায় ৫৫ কোটি টাকার আয়কর ও ভ্যাট দাবি করেছে। তবে এ নিয়ে কোন সঞ্চিতি গঠন করেনি সী পার্ল কর্তৃপক্ষ।

কোম্পানিটির ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সী পার্লের কাছে আয়কর কর্তৃপক্ষ ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ১ কোটি ৯ লাখ টাকা ও ২০২২-২৩ ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সী পার্ল বীচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা কোম্পানির কাছে কয়েক বছর আগের আয়কর-ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে সম্প্রতি আয়কর কর্তৃপক্ষ কোম্পানিটির কাছে প্রায় ৫৫ কোটি টাকার আয়কর ও ভ্যাট দাবি করেছে। তবে এ নিয়ে কোন সঞ্চিতি গঠন করেনি সী পার্ল কর্তৃপক্ষ।

কোম্পানিটির ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সী পার্লের কাছে আয়কর কর্তৃপক্ষ ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ১ কোটি ৯ লাখ টাকা ও ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৫১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আয়কর দাবি করেছে। এছাড়া ২০১২-১৩ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জন্য ২ কোটি ৭ লাখ টাকা ভ্যাট দাবি করেছে। অর্থাৎ আয়কর কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ি, তারা সী পার্লের কাছে মোট ৫৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।

এ নিয়ে সী পার্ল কর্তৃপক্ষ কোন সঞ্চিতি গঠন করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে কোম্পানিটিকে যদি ভবিষ্যতে ৫৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকার আয়কর-ভ্যাট প্রদান করতে হয়, তাহলে সঞ্চিতি গঠনের অভাবে ব্যবসায় বড় ধাক্কা খাবে।

আয়কর কর্তৃপক্ষের আয়কর ও ভ্যাট দাবির বিষয়ে সী পার্ল কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে জানিয়েছে, তারা আয়কর দাবির বিপরীতে আয়কর কমিশনে আপীল দাখিল করেছে। যা নিয়ে তারা সংশোধীত চাহিদা বা চাহিদা বাতিলের বিষয়ে কোন চিঠি পায়নি। আর ভ্যাট নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে আর্থিক হিসাবে জানানো হয়েছে।

এদিকে আওয়ামী সরকারের পতনের পরে ব্যবসাও ভালো যাচ্ছে না সী পার্লের। কোম্পানিটির চলতি অর্থবছরের ৬ মাসের (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫) ব্যবসায় লোকসান হয়েছে।

কোম্পানিটির চলতি অর্থবছরের ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে (১.১৪) টাকা। যার পরিমাণ এর আগের বছরের একই সময়ে হয়েছিল (১.৩৭) টাকা। এ হিসাবে লোকসান কমেছে ০.২৩ টাকা বা ১৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া সী পার্লের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১২০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর (উদ্যোক্তা/পরিচালক ব্যতিত) বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৫৩.১৭ শতাংশ। কোম্পানিটির সোমবার (৩০ মার্চ) শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে ৪০.০০ টাকায়।