অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও অর্থ উপদেষ্টার পরিচিত হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদ বাগিয়ে নেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। যার নেতৃত্বাধীন কমিশন বিএনপি সরকার গঠনের পরেও বহাল তবিয়তে রয়েছে। এ নিয়ে অনেকের মধ্যে নানা প্রশ্ন জেগেছে। এই কমিশন লবিং করে টিকে যাবে কিনা, তা নিয়েও কারো কারো মনে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই কমিশনের টিকে যাওয়ার কোন উপায় দেখছেন এই বাজারের প্রভাবশালীরা।

তাদেরই একটি গ্রুপ ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও অর্থ উপদেষ্টার পরিচিত হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদ বাগিয়ে নেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। যার নেতৃত্বাধীন কমিশন বিএনপি সরকার গঠনের পরেও বহাল তবিয়তে রয়েছে। এ নিয়ে অনেকের মধ্যে নানা প্রশ্ন জেগেছে। এই কমিশন লবিং করে টিকে যাবে কিনা, তা নিয়েও কারো কারো মনে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই কমিশনের টিকে যাওয়ার কোন উপায় দেখছেন এই বাজারের প্রভাবশালীরা।

তাদেরই একটি গ্রুপ অর্থ বাণিজ্যকে জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী বিএসইসিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন ইতিমধ্যে। যা দিয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদেরকে অপসারণের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। তবে এখনো তাদের অপসারণ না করার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে অপসারণ নিয়ে সমালোচনা কারণ হিসেবে রয়েছে। গভর্নরকে অপসারণ প্রক্রিয়া নিয়ে দেশব্যাপি সমালোচনা হয়েছে। এরমধ্য বিএসইসি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদেরকে একইভাবে সরিয়ে দিলে, তাতে সমালোচনা আরো বৃদ্ধি পেত। এরমধ্যে শুরু হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ। এ কারনে কমিশনে এখনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে এই পরিবর্তন সময়ের ব্যাপার।

বিএসইসির বর্তমান মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন গত ১৮ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।

বুধবার (০১ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২৭৩ পয়েন্টে। যা আগের টানা ৩ কার্যদিবসের পতনের মধ্যে মঙ্গলবার ৫২ পয়েন্ট, সোমবার ৪১ পয়েন্ট ও রবিবার ৪৪ পয়েন্ট কমেছিল।

আজ ডিএসইতে ৭১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগের দিন হয়েছিল ৬৮৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৩৪ কোটি ২২ লাখ টাকার বা ৫ শতাংশ।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯১ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ৩২৭ টি বা ৮৩.৬৩ শতাংশের। আর দর কমেছে ৩৯ টি বা ৯.৯৭ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ২৫ টি বা ৬.৩৯ শতাংশের।

অপরদিকে সিএসইতে বুধবার ৪২ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০০ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ১৩৫ টির, কমেছে ৪১ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ২৪ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭৭৯ পয়েন্টে।

আগেরদিন সিএসইতে ৪৫ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ২০৬ পয়েন্ট কমেছিল।