অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারের গত ১৫ বছরের অনিয়ম তদন্তে বিশেষ কমিশন গঠন করা হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএসইসিকে প্রকৃত স্বাধীনতা দেওয়া হবে। বাজার কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, মূলধন গঠনে ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তে শেয়ারবাজারকে গুরুত্ব দিয়ে ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারের গত ১৫ বছরের অনিয়ম তদন্তে বিশেষ কমিশন গঠন করা হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএসইসিকে প্রকৃত স্বাধীনতা দেওয়া হবে। বাজার কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, মূলধন গঠনে ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তে শেয়ারবাজারকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়ে আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে স্পষ্টভাবে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নে উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএসইসিকে প্রকৃত স্বাধীনতা দেওয়া হবে, বাজার কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং গত ১৫ বছরের অনিয়ম তদন্তে বিশেষ কমিশন গঠন করা হবে।

‘পাশাপাশি কর্পোরেট বন্ড, সুকুক ও গ্রিন বন্ড চালু করে পুঁজিবাজারকে বহুমাত্রিক করা হবে। বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, ভোগ ও রাজস্বের স্বাভাবিক চক্রকে সচল করার মাধ্যমে আমাদের সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করবে’—বলেন অর্থমন্ত্রী।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্যে আর্থিকখাতে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির চিত্র উঠে আসে। সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের আর্থিকখাতের চিত্রও বর্ণনা করেন অর্থমন্ত্রী।