১২ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন আশা ভোঁসলে
বিনোদন ডেস্ক : কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীত বিশ্বে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। কয়েক দশক ধরে তার জাদুকরী কণ্ঠ কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি জুগিয়েছে। তবে আশা ভোঁসলে কেবল একজন জনপ্রিয় গায়িকাই ছিলেন না, সংগীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করার বিরল বিশ্বরেকর্ডটিও ছিল তার দখলে।
২০১১ সালে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আশা ভোঁসলেকে ‘সংগীত ইতিহাসের সর্বাধিক গান রেকর্ড করা শিল্পী’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। প্রায় আট দশকের দীর্ঘ ...
বিনোদন ডেস্ক : কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীত বিশ্বে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। কয়েক দশক ধরে তার জাদুকরী কণ্ঠ কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি জুগিয়েছে। তবে আশা ভোঁসলে কেবল একজন জনপ্রিয় গায়িকাই ছিলেন না, সংগীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করার বিরল বিশ্বরেকর্ডটিও ছিল তার দখলে।
২০১১ সালে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আশা ভোঁসলেকে ‘সংগীত ইতিহাসের সর্বাধিক গান রেকর্ড করা শিল্পী’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। প্রায় আট দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ২০টিরও বেশি ভাষায় ১১ হাজারেরও বেশি একক, দ্বৈত এবং কোরাস গান গেয়েছেন। কোনো কোনো সূত্রের মতে, তার মোট গানের সংখ্যা ১২ হাজারও ছাড়িয়ে গেছে।
আশা ভোঁসলে শুধু হিন্দি গানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। মারাঠি, বাংলা, তামিল, মালয়ালম থেকে শুরু করে ইংরেজি ও রুশ ভাষায়ও তিনি সমান দক্ষতায় গান গেয়েছেন। শাস্ত্রীয় সংগীত, গজল, পপ কিংবা ক্যাবারে- সব ধরনের গানেই তিনি ছিলেন অনন্য। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ভারত সরকারের ‘দাদাসাহেব ফালকে’ (২০০০) এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ (২০০৮)-এর মতো সর্বোচ্চ সম্মাননা পেয়েছেন।
গতকাল ১১ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হলে ৯২ বছর বয়সী এই শিল্পীকে দ্রুত মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আগামীকাল বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত তার মরদেহ নিজ বাসভবনে রাখা হবে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য। এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
আশা ভোঁসলে মানেই একরাশ স্মৃতি। তার কালজয়ী গানের তালিকায় রয়েছে ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘ঝুমকা গিরা রে’, ‘ইয়ে মেরা দিল’, ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ এবং ‘ও মেরে সোনা রে’-এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গান। তার এই গানগুলো যুগ যুগ ধরে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।
