এখনো মাকসুদ কমিশন অপসারিত না হওয়ায় হতাশ বিনিয়োগকারীরা
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অবশেষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে অপসারণের চূড়ান্ত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে তাকে এখনো অপসারণ না করায় হতাশ হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অর্থমন্ত্রী বিদেশে অবস্থান করায় তাকে অপসারণ এবং নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ আটকে আছে। উনি আগামীকাল (০৭ মে) দেশে ফেরার পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অবশেষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে অপসারণের চূড়ান্ত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে তাকে এখনো অপসারণ না করায় হতাশ হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অর্থমন্ত্রী বিদেশে অবস্থান করায় তাকে অপসারণ এবং নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ আটকে আছে। উনি আগামীকাল (০৭ মে) দেশে ফেরার পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন শেয়ারবাজারের খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তাকে সরানোর চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এলক্ষ্যে বিএসইসিতে চেয়ারম্যান নিয়োগে বয়স সীমা তুলে নিয়েছে।
বয়সের সীমা তুলে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০ সংশোধন করা হয়েছে।
গত ১৯ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।
শেয়ারবাজারের স্বার্থে বিনিয়োগকারীরা অনেক আগে থেকেই মাকসুদের অপসারণ চান। যার অপসারণেই শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের। কারন মাকসুদ শেয়ারবাজার বুঝেন না। এটা শুধু সাধারন বিনিয়োগকারীদের কথা না। এই কথা এখন বিএসইসির সাবেক স্বনামধন্য চেয়ারম্যানসহ স্টেকহোল্ডারদের। তাই মাকসুদের অপসারন করা উচিত।
তবে তার অপসারণ এক প্রকার চূড়ান্ত হয়ে গেলেও এখনো তা বাস্তবায়ন না হওয়া বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছে। যাতে আগের দিনের ন্যায় বুধবারও (০৭ মে) দেশের ঊভয় শেয়ারবাজারে সব সূচকে পতন হয়েছে।
বুধবার (০৬ মে) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫২৪৮ পয়েন্টে। যা আগেরদিন কমেছিল ১১ পয়েন্ট।
এদিন ডিএসইতে ৭৬৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগের দিন হয়েছিল ৮৩২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন কমেছে ৬৪ কোটি ৬১ লাখ টাকার বা ৮ শতাংশ।
আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯১ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ১০৮ টি বা ২৭.৬২ শতাংশের। আর দর কমেছে ২১৬ টি বা ৫৫.২৪ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৬৭ টি বা ১৭.১৪ শতাংশের।
অপরদিকে সিএসইতে বুধবার ২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০০ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ৬৯ টির, কমেছে ১০৪ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ২৭ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৮০১ পয়েন্টে।
আগেরদিন সিএসইতে ১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।
