অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক :   এখনো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনকে অপসারণ না করায় কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। যাতে শেয়ারবাজারে পতন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন শেয়ারবাজারের খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তাকে সরানোর চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এলক্ষ্যে বিএসইসিতে চেয়ারম্যান নিয়োগে বয়স সীমা তুলে নিয়েছে।

বয়সের সীমা তুলে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এবং ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : এখনো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনকে অপসারণ না করায় কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। যাতে শেয়ারবাজারে পতন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন শেয়ারবাজারের খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তাকে সরানোর চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এলক্ষ্যে বিএসইসিতে চেয়ারম্যান নিয়োগে বয়স সীমা তুলে নিয়েছে।

বয়সের সীমা তুলে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০ সংশোধন করা হয়েছে।

শেয়ারবাজারের স্বার্থে বিনিয়োগকারীরা অনেক আগে থেকেই মাকসুদের অপসারণ চান। যার অপসারণেই শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের। কারন মাকসুদ শেয়ারবাজার বুঝেন না। এটা শুধু সাধারন বিনিয়োগকারীদের কথা না। এই কথা এখন বিএসইসির সাবেক স্বনামধন্য চেয়ারম্যানসহ স্টেকহোল্ডারদের। তাই মাকসুদের অপসারন করা উচিত।

তবে তার অপসারণ এক প্রকার চূড়ান্ত হয়ে গেলেও এখনো তা বাস্তবায়ন না হওয়া বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছে। যাতে আগের ৪ দিনের ন্যায় সোমবারও (১১ মে) দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে পতন হয়েছে।

সোমবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫২০৫ পয়েন্টে। যা আগের ৪ কার্যদিবসের পতনের মধ্যে রবিবার ১৩ পয়েন্ট, বৃহস্পতিবার ১৪ পয়েন্ট, বুধবার ১৯ পয়েন্ট ও মঙ্গলবার ১১ পয়েন্ট কমেছিল।

এদিন ডিএসইতে ৭১৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগের দিন হয়েছিল ৭২৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন কমেছে ১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকার বা ২ শতাংশ।

আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯২ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ১৪৬ টি বা ৩৭.২৪ শতাংশের। আর দর কমেছে ১৮৯ টি বা ৪৮.২১ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৫৭ টি বা ১৪.৫৪ শতাংশের।

অপরদিকে সিএসইতে সোমবার ২০ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০২ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ৭৫ টির, কমেছে ৯৮ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ২৯ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৬৪৩ পয়েন্টে।

আগেরদিন সিএসইতে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক কমেছিল ৫৬ পয়েন্ট।