ডিএসইতে ব্র্যাক ব্যাংকের ২য় সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের লেনদেন শুরু
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১২ মে) ব্র্যাক ব্যাংকের দ্বিতীয় সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের লেনদেন শুরু হয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ‘পি’ ক্যাটাগরির আওতায় ডিএসইর অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) প্ল্যাটফর্মে এই বন্ডের লেনদেন চালু হয়েছে।
বন্ডটির ট্রেডিং কোড “BBL2NDSB” এবং স্ক্রিপ কোড “৫৫০০৮” নির্ধারণ করা হয়েছে। বন্ডটির ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান হলো ব্র্যাক ব্যাংক।
ডিএসইতে তালিকাভুক্তির জন্য বন্ডটির মোট ইস্যু সাইজ ধরা হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লাখ ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১২ মে) ব্র্যাক ব্যাংকের দ্বিতীয় সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের লেনদেন শুরু হয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ‘পি’ ক্যাটাগরির আওতায় ডিএসইর অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) প্ল্যাটফর্মে এই বন্ডের লেনদেন চালু হয়েছে।
বন্ডটির ট্রেডিং কোড “BBL2NDSB” এবং স্ক্রিপ কোড “৫৫০০৮” নির্ধারণ করা হয়েছে। বন্ডটির ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান হলো ব্র্যাক ব্যাংক।
ডিএসইতে তালিকাভুক্তির জন্য বন্ডটির মোট ইস্যু সাইজ ধরা হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লাখ টাকা এবং ন্যূনতম সাবস্ক্রিপশন সাইজও ১০ লাখ টাকা। বন্ডটির কুপন রেট বছরে ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা ভাসমান হারে নির্ধারিত এবং কুপন পরিশোধ করা হবে বছরে দুইবার (সেমি-অ্যানুয়াল ভিত্তিতে)।
এটি একটি নন-কনভার্টিবল, সম্পূর্ণ রিডিমেবল, কুপন বেয়ারিং, আনসিকিউরড ও সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটির ইস্যু তারিখ ছিল ১১ মার্চ ২০২৪ এবং বর্তমানে অবশিষ্ট মেয়াদ রয়েছে ৪ বছর ১০ মাস।
রিডেম্পশন পদ্ধতি অনুযায়ী, ইস্যু তারিখের তৃতীয় বছর শেষে অর্থাৎ ১১ মার্চ ২০২৭ থেকে প্রতি বছর ১১ মার্চ তারিখে ধাপে ধাপে (বার্ষিক ভিত্তিতে) বন্ডের টাকা পরিশোধ শুরু হবে।
ডিএসই জানায়, বন্ডটির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয় ২০ এপ্রিল ২০২৬। সার্কিট ব্রেকার সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম দুই কার্যদিবসে সার্কিট ব্রেকার হবে ৪ শতাংশ। এর মধ্যে প্রথম কার্যদিবসে মূল্য নির্ধারণ হবে কমপক্ষে ১০ শতাংশ ডিসকাউন্ট রেটে গণনা করা বর্তমান মূল্যের ভিত্তিতে এবং দ্বিতীয় কার্যদিবসে রেফারেন্স মূল্যের ওপর। তৃতীয় কার্যদিবসে বন্ডটির লেনদেন স্থগিত থাকবে এবং চতুর্থ কার্যদিবস থেকে নিয়মিত ৫ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার প্রযোজ্য হবে।
উল্লেখ্য, ডিএসইতে এই বন্ডের তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি নতুন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
