অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক :   প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হলে এবং সেই পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের যৌথ শেয়ার ধারণ ৩০ শতাংশের নিচে নেমে এলে বা তা না থাকলেও—কোম্পানিটির মূলধন বৃদ্ধি বা ক্যাপিটাল রেইজিংয়ের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা থাকবে না।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১০১৩তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন ইস্যুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হলে এবং সেই পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের যৌথ শেয়ার ধারণ ৩০ শতাংশের নিচে নেমে এলে বা তা না থাকলেও—কোম্পানিটির মূলধন বৃদ্ধি বা ক্যাপিটাল রেইজিংয়ের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা থাকবে না।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১০১৩তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন ইস্যুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তত্ত্বাবধানে পুনর্গঠিত কোম্পানিগুলো রাইট শেয়ার, বোনাস শেয়ারসহ বিভিন্ন উপায়ে মূলধন বাড়ানোর সুযোগ পাবে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত তালিকাভুক্ত দুর্বল বা সংকটাপন্ন কোম্পানিগুলোর জন্য অর্থসংস্থান সহজ করবে। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ নিয়ন্ত্রক হস্তক্ষেপে পুনর্গঠিত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে মূলধন বাড়ানোর যে বাধা ছিল—তা দূর হবে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, নীতিগত এই শিথিলতার ফলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর পুনর্গঠন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারবাজারে এসব কোম্পানির আর্থিক স্থিতিশীলতা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।