অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক :   আবারো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে অপসারণের বিষয়টি আলোচনায় তুলে এনেছেন অর্থমন্ত্রী। গত সোমবার (১১ মে) তিনি বিএসইসিতে যোগ্য লোক নিয়োগের বিষয়টি জানিয়েছেন। যাতে মঙ্গলবার (১২ মে) শেয়ারবাজারে উত্থান হয়। যে উত্থান এরপরের ২ কার্যদিবসও অব্যাহত ছিল। তবে চলতি সপ্তাহ পতন দিয়ে শুরু হয়েছে।

শেয়ারবাজারের স্বার্থে বিনিয়োগকারীরা অনেক আগে থেকেই মাকসুদের অপসারণ চান। যার অপসারণেই শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের। কারন ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : আবারো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে অপসারণের বিষয়টি আলোচনায় তুলে এনেছেন অর্থমন্ত্রী। গত সোমবার (১১ মে) তিনি বিএসইসিতে যোগ্য লোক নিয়োগের বিষয়টি জানিয়েছেন। যাতে মঙ্গলবার (১২ মে) শেয়ারবাজারে উত্থান হয়। যে উত্থান এরপরের ২ কার্যদিবসও অব্যাহত ছিল। তবে চলতি সপ্তাহ পতন দিয়ে শুরু হয়েছে।

শেয়ারবাজারের স্বার্থে বিনিয়োগকারীরা অনেক আগে থেকেই মাকসুদের অপসারণ চান। যার অপসারণেই শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের। কারন মাকসুদ শেয়ারবাজার বুঝেন না। এটা শুধু সাধারন বিনিয়োগকারীদের কথা না। এই কথা এখন বিএসইসির সাবেক স্বনামধন্য চেয়ারম্যানসহ স্টেকহোল্ডারদের। তাই মাকসুদের অপসারন করা উচিত।

তবে তার অপসারণ এক প্রকার চূড়ান্ত হয়ে গেলেও এখনো তা বাস্তবায়ন না হওয়া বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছে। যাতে ৫ কার্যদিবস শেয়ারবাজারে পতন হয়। তবে মঙ্গলবার (১২ মে) দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে উত্থান হয়।

রবিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫২২৬ পয়েন্টে। যা আগের ৩ কার্যদিবসের উত্থানের মধ্যে বৃহস্পতিবার ২ পয়েন্ট, বুধবার ১৩ পয়েন্ট ও মঙ্গলবার ২৫ পয়েন্ট বেড়েছিল।

এর আগের ৫ কার্যদিবসের পতনের মধ্যে সোমবার ১৬ পয়েন্ট, রবিবার ১৩ পয়েন্ট এবং এর আগের সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ১৪ পয়েন্ট, বুধবার ১৯ পয়েন্ট ও মঙ্গলবার ১১ পয়েন্ট কমেছিল।

আজ ডিএসইতে ৮৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগের দিন হয়েছিল ৯৯৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন কমেছে ১২৯ কোটি ৭ লাখ টাকার বা ১৩ শতাংশ।

আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯২ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ১১৯ টি বা ৩০.৩৬ শতাংশের। আর দর কমেছে ২২৮ টি বা ৫৮.১৬ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৪৫ টি বা ১১.৪৮ শতাংশের।

অপরদিকে সিএসইতে রবিবার ৩২ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৪ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ৮০ টির, কমেছে ১১১ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ২৩ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৬৭৫ পয়েন্টে।

আগেরদিন সিএসইতে ১৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক বেড়েছিল ৪৫ পয়েন্ট।