শেয়ার কারসাজির মামল
সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ জুলাই
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে কারসাজি, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (আজ) নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন—
সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মো. আবুল ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে কারসাজি, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (আজ) নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন—
সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরু, তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, মো. জাহেদ কামাল, মো. হুমায়ুন কবির ও তানভির নিজাম।
মামলার পটভূমি
এর আগে গত বছরের ১৭ জুন শেয়ারবাজার থেকে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক মামলাটি দায়ের করে।
অভিযোগের বিবরণ
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দ্রুত আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধি—বিশেষ করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১৭ ধারা—পরিকল্পিতভাবে লঙ্ঘন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তাঁরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ফটকা ব্যবসার মতো একাধিক লেনদেন, জুয়া ও গুজব ছড়িয়ে বাজারে কারসাজি করেন। নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে সংঘবদ্ধভাবে বারবার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওই শেয়ারে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়। এতে বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন এবং অভিযুক্তরা ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেন।
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ
অভিযোগে বলা হয়, মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরুর কারসাজিকৃত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করে সাকিব আল হাসান বাজার কারসাজিতে যোগসাজশ করেন।
তিনি সরাসরি সহায়তার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কারসাজিকৃত শেয়ারে বিনিয়োগে প্রতারণাপূর্বক প্রলুব্ধ করেন এবং ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’-এর নামে অপরাধলব্ধ আয় হিসেবে শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
