এপ্রিলের ২৩ তারিখ সেলটা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচে পেনাল্টিতে গোল করার পর হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়েন লামিন ইয়ামাল। মাঠে শুয়ে পড়া সেই দৃশ্যের পরই স্পেনজুড়ে শঙ্কা—আসন্ন বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন তো এই বিস্ময়বালক?

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপে ইয়ামালের খেলা নিশ্চিত হলেও শুরুটা নাও হতে পারে। দ্য অ্যাথলেটিক জানিয়েছে, কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি খেলবেন না এবং সৌদি আরবের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও তার থাকা অনিশ্চিত। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে উরুগুয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ...

এপ্রিলের ২৩ তারিখ সেলটা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচে পেনাল্টিতে গোল করার পর হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়েন লামিন ইয়ামাল। মাঠে শুয়ে পড়া সেই দৃশ্যের পরই স্পেনজুড়ে শঙ্কা—আসন্ন বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন তো এই বিস্ময়বালক?

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপে ইয়ামালের খেলা নিশ্চিত হলেও শুরুটা নাও হতে পারে। দ্য অ্যাথলেটিক জানিয়েছে, কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি খেলবেন না এবং সৌদি আরবের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও তার থাকা অনিশ্চিত। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে উরুগুয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাকে পুরোপুরি পাওয়া যাবে।

র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে ইয়ামাল ছাড়া জেতা সম্ভব বলে মনে করছে স্পেন। কিন্তু দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে হারাতে হলে তার উপস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপে শীর্ষে না থাকলে পরের রাউন্ডে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে, যা এড়াতে চাইবেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে, মিডফিল্ডার ফেরমিন লোপেস বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন না। ফলে গ্রুপ পর্বে ইয়ামাল না থাকলে স্পেনের আক্রমণভাগ আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। ডান প্রান্তে ইয়ামালের গতি, ড্রিবল আর বাঁ পায়ের নিখুঁত শটই স্পেনের বড় শক্তি।

মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বার্সেলোনা-র হয়ে ১৫০-এর বেশি ম্যাচ, অসংখ্য গোল-অ্যাসিস্ট এবং একের পর এক শিরোপা—সব মিলিয়ে ইয়ামাল এখন স্পেনের আক্রমণের প্রাণ। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তিনি স্পেনের হয়ে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে গোল করার কীর্তি গড়েছেন এবং ২০২৪ ইউরো জয়ে রেখেছেন বড় ভূমিকা।

এই অসাধারণ প্রতিভার কারণেই দে লা ফুয়েন্তে বলেছিলেন, “ঈশ্বর যেন জাদুর কাঠি দিয়ে তাকে ছুঁয়ে দিয়েছেন।” ২০১০ সালে ইনিয়েস্তার মতো হ্যামস্ট্রিং সমস্যার পর বিশ্বকাপ জয়ের গল্প স্পেন আগেও দেখেছে। ২০২৬ সালে ইয়ামাল কি পারবেন সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে—সে অপেক্ষাতেই এখন লা রোহা সমর্থকরা।