৩০ কোটির মুনাফা থেকে ১১ কোটি টাকার লোকসান
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জিপিএইচ ইস্পাতের চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের (জুলাই ২৫–মার্চ ২৬) ব্যবসায় বড় ধস নেমেছে। এ কোম্পানিটির আগের অর্থবছরের ৯ মাসের ৩০ কোটি টাকার মুনাফা চলতি অর্থবছরের একইসময়ে প্রায় ১১ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি ব্যবসায় ১৩৮ শতাংশ নেতিবাচক অবস্থানে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি ও আয়ের চাপ অব্যাহত থাকলে কোম্পানিটির আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ...
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জিপিএইচ ইস্পাতের চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের (জুলাই ২৫–মার্চ ২৬) ব্যবসায় বড় ধস নেমেছে। এ কোম্পানিটির আগের অর্থবছরের ৯ মাসের ৩০ কোটি টাকার মুনাফা চলতি অর্থবছরের একইসময়ে প্রায় ১১ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি ব্যবসায় ১৩৮ শতাংশ নেতিবাচক অবস্থানে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি ও আয়ের চাপ অব্যাহত থাকলে কোম্পানিটির আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ২২ পয়সা করে ১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। অথচ আগের অর্থবছরের একই সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ৬৩ পয়সা করে ৩০ কোটি ৩১ লাখ টাকা মুনাফা করেছিল। এতে ব্যবসায় পতন ৪১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বা ১৩৮ শতাংশ।
তবে এ কোম্পানিটির চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে মুনাফা হয়েছিল। এরমধ্যে প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২৫) শেয়ারপ্রতি ৫ পয়সা করে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০২৫) শেয়ারপ্রতি ৪ পয়সা করে ২ কোটি টাকা মুনাফা হয়েছিল।
কোম্পানিটি মূলত চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ ২০২৬) লোকসানে নেমেছে। যা প্রথম দুই প্রান্তিকের মুনাফাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ৩১ পয়সা করে ১৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। যদিও এর আগের অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকেও লোকসান হয়েছিল। তবে সেটা শেয়ারপ্রতি ২ পয়সা করে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা ছিল।
অন্যদিকে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫১.৪৪ টাকা।
ব্যবসায় এমন পতনের কারণ হিসেবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ডিএসইকে জানিয়েছে, পণ্য বিক্রির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় রাজস্ব আয় হ্রাস পেয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে কোম্পানির সামগ্রিক মুনাফা ও শেয়ারপ্রতি মুনাফার ওপর।
বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৪৮৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালক ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৬৯.৭৮ শতাংশ। সোমবার (১ জুন) কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩০ পয়সায়।
