দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সবশেষ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। এতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চ শেষে ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট ঋণ বিতরণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপির হার বেড়ে হয়েছে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের ...

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সবশেষ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। এতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চ শেষে ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট ঋণ বিতরণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপির হার বেড়ে হয়েছে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, ঋণ বিতরণে অনিয়ম, প্রভাবশালী রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, বড় শিল্পগোষ্ঠীর ঋণ জালিয়াতি এবং আদায়ে কর্মকর্তাদের গড়িমসির কারণেই পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কিছু গোষ্ঠীর খেলাপি ঋণ নিয়মিত দেখানোর অভিযোগ রয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ। এসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৪৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ, আর খেলাপির পরিমাণ ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা।

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে। প্রয়োজনে State Bank of India-এর মতো হার্ডলাইনে আদায় প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ ঋণের শর্ত হিসেবে ব্যাংক খাতে খেলাপির হার ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার তাগিদ দিয়েছে। তবে বাস্তবে খেলাপি ঋণ দিন দিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।