স্কয়ার ফার্মায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগ ব্র্যাক ব্যাংকের
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৯ কোম্পানিতে ৮১৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। যার সবকয়টি মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচিত। যেসব শেয়ার রাতারাতি বাড়ে না এবং কমেও না। যে কারনে ওইসব শেয়ারে সবাই বিনিয়োগে আগ্রহী না। তবে শেয়ারবাজারের চলমান মন্দায় ওইসব শেয়ারে আনরিয়েলাইজড (অবিক্রিত) লোকসান গুণছে ব্র্যাক ব্যাংক।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আমাদের শেয়ারবাজারে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী রাতারাতি মুনাফা করতে চায়। যে কারনে তারা আইটেমের পেছনে ছুটে। এটা করতে গিয়ে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী লোকসান গুনে। কিন্তু ...
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৯ কোম্পানিতে ৮১৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। যার সবকয়টি মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচিত। যেসব শেয়ার রাতারাতি বাড়ে না এবং কমেও না। যে কারনে ওইসব শেয়ারে সবাই বিনিয়োগে আগ্রহী না। তবে শেয়ারবাজারের চলমান মন্দায় ওইসব শেয়ারে আনরিয়েলাইজড (অবিক্রিত) লোকসান গুণছে ব্র্যাক ব্যাংক।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আমাদের শেয়ারবাজারে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী রাতারাতি মুনাফা করতে চায়। যে কারনে তারা আইটেমের পেছনে ছুটে। এটা করতে গিয়ে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী লোকসান গুনে। কিন্তু মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করে লোকসানের সম্ভাবনা খুবই কম। এতে মুনাফা করা সহজ।
ব্র্যাক ব্যাংক থেকে বাটা সু, বার্জার পেইন্টস, গ্রামীণফোন, লাফার্জহোলসিম, ম্যারিকো, প্রাইম ব্যাংক, রেনাটা, সিঙ্গার বাংলাদেশ ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে ৮১৩ কোটি ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে। এ কোম্পানিটিতে ব্র্যাক ব্যাংকের বিনিয়োগ ১৭৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এরপরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশে। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৭৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে গ্রামীণফোনে।
এছাড়া বার্জার পেইন্টসে ১৪৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, লাফার্জহোলসিমে ৪৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, প্রাইম ব্যাংকে ৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, রেনাটায় ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, সিঙ্গার বাংলাদেশে ৩৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ও বাটা সু’তে ৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, ব্যাংকটির পোর্টফোলিও দেখেই বোঝা যাচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করে বিনিয়োগ করা হয়েছে। যেসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীসহ সব স্টেকহোল্ডারদের আস্থা অনেক বেশি। এছাড়া শেয়ারবাজারে আর্থিক হিসাবের অস্বচ্ছতার যে প্রধানতম একটি সমস্যা, তা ওই কোম্পানিগুলোতে নেই। তাই ওইসব কোম্পানিতে লোকসান করার সম্ভাবনা খুবই কম।
তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে হাতেগোণা কয়েকটি কোম্পানির আর্থিক হিসাবের উপর আস্থা রাখা যায়। এখনো বেশিরভাগ কোম্পানিতে নিরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যে কারনে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির এক বছর মুনাফা করার পরের বছর অস্বাভাবিক লোকসানের মতো আর্থিক হিসাব দেখতে হয়। এ জায়গাটিতে রেগুলেটররা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারেননি।
ব্র্যাক ব্যাংকের ওই ৮১৩ কোটি ২ লাখ টাকার বিনিয়োগের বাজার দর গত ৩১ ডিসেম্বর দাঁড়িয়েছে ৭৬৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকটি ৪৯ কোটি ৩১ লাখ টাকার আনরিয়েলাইজড লোকসান রয়েছে।
