দীর্ঘদিন পর শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনের গতি ফেরাতে বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অবশেষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেড-এর শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন দর) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে যাচ্ছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার অনুষ্ঠিতব্য বিশেষ কমিশন সভায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। প্রয়োজনে মঙ্গলবারও সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।

বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস নির্ধারিত রয়েছে ৩২ ...

দীর্ঘদিন পর শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনের গতি ফেরাতে বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অবশেষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেড-এর শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন দর) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে যাচ্ছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার অনুষ্ঠিতব্য বিশেষ কমিশন সভায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। প্রয়োজনে মঙ্গলবারও সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।

বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস নির্ধারিত রয়েছে ৩২ টাকা ৬০ পয়সা এবং বেক্সিমকো লিমিটেড-এর শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস ১১০ টাকা ১০ পয়সা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন জানান, খুব শিগগিরই এই দুই কোম্পানির শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, “সোমবার অথবা মঙ্গলবারের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।”

এর আগে গতকাল রোববার বিএসইসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। ওই বৈঠকে শেয়ারবাজারে আর কোনো ফ্লোর প্রাইস থাকবে না বলে আশ্বাস দেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি জানান, খুব শিগগিরই বাজার থেকে সব ধরনের ফ্লোর প্রাইস সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ফ্লোর প্রাইস হলো শেয়ারের দামের সর্বনিম্ন সীমা, যার নিচে কোনো শেয়ারের দর নামতে পারে না। করোনা মহামারির সময় শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতন ঠেকাতে ২০২০ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হলেও ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে তা বহাল ছিল।

অবশেষে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাজারে লেনদেনের স্বাভাবিকতা ও তারল্য আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।