বিনোদন ডেস্ক 

বয়স বাড়লেই কি মানুষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিপক্ব বা ম্যাচিউর হয়ে ওঠে? নাকি জীবনের অভিজ্ঞতা ও কাজের পরিধিই প্রকৃত পরিপক্বতা তৈরি করে? এমন প্রশ্নের ভিড়ে ম্যাচিউরিটি নিয়ে নিজের বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, পরিপক্বতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়সের অপেক্ষায় বসে থাকার মানে নেই। তার মতে, ম্যাচিউরিটি আসে কাজ করতে করতেই, অভিজ্ঞতার মধ্য ...

বিনোদন ডেস্ক

বয়স বাড়লেই কি মানুষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিপক্ব বা ম্যাচিউর হয়ে ওঠে? নাকি জীবনের অভিজ্ঞতা ও কাজের পরিধিই প্রকৃত পরিপক্বতা তৈরি করে? এমন প্রশ্নের ভিড়ে ম্যাচিউরিটি নিয়ে নিজের বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, পরিপক্বতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়সের অপেক্ষায় বসে থাকার মানে নেই। তার মতে, ম্যাচিউরিটি আসে কাজ করতে করতেই, অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই।

কেয়া পায়েল বলেন,

‘আমরা অনেকেই ভাবি ৩০-এর পর আরও ম্যাচিউর হব, তখন কাজ করব। কিন্তু ম্যাচিউরিটিটা আসলে হয় কাজ করতে করতেই। এটা শুধু বয়সের সঙ্গে আসে—এমন না। যদিও বয়সের সঙ্গে এক ধরনের ম্যাচিউরিটি আসে ঠিকই।’

তিনি আরও বলেন, ম্যাচিউরিটিকে কেবল বয়সের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে জীবনের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত। মানুষ কার সঙ্গে মিশছে, কী ধরনের পরিবেশে সময় কাটাচ্ছে—এসব বিষয়ের ওপর মানসিক বিকাশ অনেকটাই নির্ভর করে।

অভিনেত্রীর ভাষায়,

‘ম্যাচিউরিটি আমাদের পুরো জায়গাটাজুড়েই তৈরি হয়—আমরা কোথায় মিশছি, কী করছি, কতটা কাজ করছি। যত বেশি কাজ আর অভিজ্ঞতা, তত বেশি ম্যাচিউরিটি।’

পরিপক্বতা নিয়ে এই বাস্তবধর্মী বক্তব্য ইতোমধ্যে দর্শকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।