গত কয়েক মাস ধরেই একাধিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন বলিউড তারকা রণবীর সিংহ। মূলত ছবি ডন ৩ থেকে আচমকা সরে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করেই তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র সমালোচনা। এ বার সেই বিতর্কে রণবীরের হয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত।

‘ডন ৩’-এর চুক্তিতে সই করার পর শুটিং শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে ছবি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে রণবীরের বিরুদ্ধে। প্রযোজনা সংস্থার দাবি, এর ফলে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সেই সূত্র ...

গত কয়েক মাস ধরেই একাধিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন বলিউড তারকা রণবীর সিংহ। মূলত ছবি ডন ৩ থেকে আচমকা সরে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করেই তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র সমালোচনা। এ বার সেই বিতর্কে রণবীরের হয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত।

‘ডন ৩’-এর চুক্তিতে সই করার পর শুটিং শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে ছবি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে রণবীরের বিরুদ্ধে। প্রযোজনা সংস্থার দাবি, এর ফলে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সেই সূত্র ধরেই রণবীরকে ৪৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নিদান দেওয়া হয় এবং FWICE (ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ়) তাঁর বিরুদ্ধে অসহযোগিতার নির্দেশ তথা ‘নিষেধাজ্ঞা’ জারি করে। যদিও সম্প্রতি সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এই আবহেই রণবীরের সমালোচকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন কঙ্গনা। তাঁর দাবি, রণবীরকে টার্গেট করার পিছনে ইন্ডাস্ট্রির একাংশের ‘পাকিস্তানপ্রেম’ কাজ করছে।

কঙ্গনার বক্তব্য, “যখন কোনও সিনেমা পাকিস্তানের আসল চেহারা তুলে ধরে, তখন কিছু মানুষ অস্বস্তিতে পড়ে। কারণ এত দিন ধরে তারা যা প্রচার করে এসেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।”

এখানেই থামেননি কঙ্গনা। তাঁর সংযোজন, “রণবীর সিংহ অভিনীত কিছু ছবি পাকিস্তানকে অন্যভাবে দেখায়। সেটাই ইন্ডাস্ট্রির কিছু মানুষের অস্বস্তির কারণ। কারণ এখানে এখনও এমন অনেকে আছেন, যাঁদের পাকিস্তানের প্রতি সহমর্মিতা রয়েছে।”

উল্লেখ্য, ২৫ মে পরিচালক ফারহান আখতার এবং প্রযোজক রীতেশ সিধওয়ানি সংশ্লিষ্ট সংগঠনের কাছে রণবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের দাবি, ‘ডন ৩’-এর প্রি-প্রোডাকশনের জন্য ইতিমধ্যেই ৪৫ কোটিরও বেশি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে, অথচ ছবির শুটিং এখনও শুরু হয়নি।

বিতর্কের শুরুতে রণবীর সিংহ এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও তাঁর তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, ইন্ডাস্ট্রি ও সহকর্মীদের প্রতি তাঁর ‘গভীর শ্রদ্ধা’ রয়েছে এবং এই ধরনের পেশাগত সমস্যা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই মিটে যাওয়া উচিত।

এখন প্রশ্ন একটাই— কঙ্গনার প্রকাশ্য সমর্থনের পর কি এই বিতর্কে নতুন মোড় আসতে চলেছে?