বিএসইসির পক্ষে আপিল বিভাগের দুই গুরুত্বপূর্ণ রায়
শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত থেকে অনুকূল রায় পেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর ফলে ক্লোজড-এন্ড (মেয়াদি) মিউচুয়াল ফান্ডকে ওপেন-এন্ড (বেমেয়াদি) ফান্ডে রূপান্তর বা অবসায়ন এবং বেস্ট হোল্ডিংস-সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পথ সুগম হয়েছে।
বুধবার আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব পৃথক দুটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থা ও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, আপিল ...
শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত থেকে অনুকূল রায় পেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর ফলে ক্লোজড-এন্ড (মেয়াদি) মিউচুয়াল ফান্ডকে ওপেন-এন্ড (বেমেয়াদি) ফান্ডে রূপান্তর বা অবসায়ন এবং বেস্ট হোল্ডিংস-সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পথ সুগম হয়েছে।
বুধবার আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব পৃথক দুটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থা ও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, আপিল বিভাগের সর্বশেষ আদেশের ফলে ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের রূপান্তর বা অবসায়ন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন এবং বেস্ট হোল্ডিংস-সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে আর কোনো বাধা রইল না।
জানা গেছে, ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডকে ওপেন-এন্ড ফান্ডে রূপান্তর বা অবসায়নসংক্রান্ত মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০০১-এর বিধি ৬২(২) এবং গত ৭ মে জারি করা আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পাঁচজন ইউনিটধারী সম্প্রতি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ মে হাইকোর্ট স্থিতাবস্থা জারি করেছিলেন।
পরবর্তীতে ওই আদেশের বিরুদ্ধে বিএসইসি আপিল বিভাগে আবেদন করলে বুধবার চেম্বার আদালত হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা আদেশ স্থগিত করেন। এর আগে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত ৯ ও ১১ জুন সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টিদের কাছে পৃথক চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন।
অন্যদিকে, বেস্ট হোল্ডিংস-সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোনো আইনগত প্রতিবন্ধকতা থাকছে না।
