মালেক স্পিনিংয়ের সাবসিডিয়ারির মূলধন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মালেক স্পিনিং মিলসের (এমএসএম) পরিচালনা পর্ষদ তাদের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিউএশিয়া সিনথেটিক্স লিমিটেড (এনএসএল)-এর পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত মালেক স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাবসিডিয়ারির প্রস্তাবিত মূলধন পুনর্গঠন অনুমোদন দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বিদ্যমান ৬৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ কোটি টাকা করা ...
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মালেক স্পিনিং মিলসের (এমএসএম) পরিচালনা পর্ষদ তাদের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিউএশিয়া সিনথেটিক্স লিমিটেড (এনএসএল)-এর পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত মালেক স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাবসিডিয়ারির প্রস্তাবিত মূলধন পুনর্গঠন অনুমোদন দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বিদ্যমান ৬৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ কোটি টাকা করা হবে।
উৎত্থাপিত অর্থ এনএসএলের অতিরিক্ত কৌশলগত জমি ক্রয়, সহায়ক বিনিয়োগ, অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় ও দায় পরিশোধে ব্যবহার করা হবে। এনএসএলের পরিচালনা পর্ষদ এই অতিরিক্ত মূলধনের বিপরীতে ২৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩ হাজার ২০০ টাকার সমপরিমাণ শেয়ার এমএসএমকে আনুপাতিক হারে বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, যা এমএসএমের পর্ষদ অনুমোদন করেছে।
এই বিনিয়োগের ফলে এনএসএলে শেয়ারহোল্ডিং অপরিবর্তিত থাকবে এবং তা ৯৯.২৯৩ শতাংশই বজায় থাকবে মালেক স্পিনিংয়ের। প্রস্তাবিত অতিরিক্ত শেয়ারে বিনিয়োগের অর্থ মালেক স্পিনিং তাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ তহবিল থেকে সরবরাহ করবে।
কোম্পানির মতে, এই মূলধন পুনর্গঠন, ঋণ পরিশোধ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জমি ও সহায়ক বিনিয়োগ বাস্তবায়নের ফলে এনএসএলের আর্থিক শৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।
এদিকে কোম্পানি জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড থেকে সংযোগ না মেলায় ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এমএসএমের বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) অনুমোদনক্রমে এনএসএল প্রকল্পের বাস্তবায়ন স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে প্রকল্প এলাকার ভৌগোলিক সংযুক্ততা, অবস্থানগত গুরুত্ব ও নিরাপত্তাজনিত কারণে পূর্বে চুক্তিবদ্ধ কিছু কৌশলগত জমি ক্রয় অব্যাহত রাখতে হয়েছে, যা ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত তহবিলের প্রয়োজন সৃষ্টি করছে।
