শেষ ষোলোতে ফ্রান্স
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে শেষ ষোলোতে উঠে গেল ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রে নিউজার্সি স্টেডিয়ামে **সুইডেন**কে ৩-০ গোলে হারিয়েছে গত দুই আসরের ফাইনালিস্টরা। ম্যাচে জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে; অন্য গোলটি আসে ব্র্যাডলি বারকোলার পা থেকে।
প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ফ্রান্স। অফসাইডে এমবাপের একটি গোল বাতিল হয়, দু’বার কাঁপে গোলপোস্ট। শেষ পর্যন্ত ৪৫ মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে দুর্দান্ত ফিনিশে জাল খোলেন এমবাপে। গোলের পর মা ...
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে শেষ ষোলোতে উঠে গেল ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রে নিউজার্সি স্টেডিয়ামে **সুইডেন**কে ৩-০ গোলে হারিয়েছে গত দুই আসরের ফাইনালিস্টরা। ম্যাচে জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে; অন্য গোলটি আসে ব্র্যাডলি বারকোলার পা থেকে।
প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ফ্রান্স। অফসাইডে এমবাপের একটি গোল বাতিল হয়, দু’বার কাঁপে গোলপোস্ট। শেষ পর্যন্ত ৪৫ মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে দুর্দান্ত ফিনিশে জাল খোলেন এমবাপে। গোলের পর মা হারানোর কঠিন সময় পার করা কোচ **দিদিয়ের দেশম**কে সান্ত্বনা দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
বিরতির পর আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় ফ্রান্স। ৫৩ মিনিটে মাইকেল অলিসের অ্যাসিস্টে বারকোলা ব্যবধান বাড়ান। ৭৪ মিনিটে অলিসের বাড়ানো বল থেকেই নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপে। এই নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে তাঁর গোল সংখ্যা দাঁড়াল ছয়—গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে থাকা **লিওনেল মেসি**র সঙ্গে একই সারিতে বসলেন তিনি।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে এমবাপের মোট গোল হলো ১৮টি—সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা মেসির (১৯) থেকে মাত্র এক গোল পিছিয়ে। পুরো ম্যাচে ফ্রান্স ২৫টি শট নেয়, যার ১২টি ছিল লক্ষ্যে। সুইডিশ গোলরক্ষক জেটারস্ট্রম একাধিক সেভে বড় হার এড়ান।
শেষ ষোলোতে এবার ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে প্রথম শিরোপা জয়ের পথে এই দলকেই নকআউটে হারিয়েছিল ফরাসিরা। বর্তমান ফর্মে আবারও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে চলেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
