ফরচুন সুজের পরিচালক-কর্মকর্তাদের ৭.২০ কোটি টাকা জরিমানা
সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফরচুন সুজ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মোট ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি কমিশনের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
বকেয়া পরিশোধ না করায় জরিমানা
আদেশ সূত্রে জানা যায়, বকেয়া নগদ লভ্যাংশ ও তালিকাভুক্তি ফি বাবদ ৪ কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা পরিশোধের জন্য ফরচুন সুজকে এক মাস সময় বেঁধে দিয়েছিল বিএসইসি। ...
সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফরচুন সুজ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মোট ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি কমিশনের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
বকেয়া পরিশোধ না করায় জরিমানা
আদেশ সূত্রে জানা যায়, বকেয়া নগদ লভ্যাংশ ও তালিকাভুক্তি ফি বাবদ ৪ কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা পরিশোধের জন্য ফরচুন সুজকে এক মাস সময় বেঁধে দিয়েছিল বিএসইসি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওই অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় কমিশনের ১০১৩তম সভায় জরিমানার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
লভ্যাংশ ও তালিকাভুক্তি ফি সংক্রান্ত অনিয়ম
বিএসইসি জানায়, কোম্পানিটি ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ এবং ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। তবে ঘোষিত মোট ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা নগদ লভ্যাংশের মধ্যে ৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এখনো বিনিয়োগকারীদের পরিশোধ করা হয়নি।
এ ছাড়া ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর পূর্ববর্তী তিন বছরের ১৮ লাখ ২৯ হাজার টাকা তালিকাভুক্তি ফি বকেয়া রয়েছে।
জরিমানার বিস্তারিত বিবরণ
বকেয়া অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার দায়ে—
চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান — ৫ কোটি টাকা
ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোকসানা রহমান — ৫০ লাখ টাকা
পরিচালক মো. আমানুর রহমান — ৫০ লাখ টাকা
পরিচালক রবিউল ইসলাম — ৫০ লাখ টাকা
সাবেক পরিচালক মো. খসরুল ইসলাম — ৫০ লাখ টাকা
প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জামিল আহমেদ চৌধুরী — ১০ লাখ টাকা
সাবেক কোম্পানি সচিব রিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া — ৫ লাখ টাকা
বর্তমান কোম্পানি সচিব মো. নাজমুল হোসেন — ৫ লাখ টাকা
পরবর্তী নির্দেশনা
আদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে ব্যাংক ড্রাফট অথবা পে-অর্ডারের মাধ্যমে জরিমানার সম্পূর্ণ অর্থ কমিশনে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিএসইসি।
