ইরান ইস্যুতে আতঙ্ক, সেনসেক্সে বড় ধস
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় বড় ধরনের ধস নেমেছে ভারতীয় শেয়ারবাজারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঘোষণা ও ইরানের বিরুদ্ধে ফের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিতের পর বুধবার (৮ জুলাই) ব্যাপক বিক্রির চাপে একদিনেই প্রায় ১ হাজার ৬৭৭ পয়েন্ট হারিয়েছে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) প্রধান সূচক সেনসেক্স। একই দিনে বাজার মূলধন থেকেও প্রায় ১০ লাখ কোটি রুপি উধাও হয়ে গেছে।
দিন শেষে সেনসেক্স ১ হাজার ৬৭৭ ...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় বড় ধরনের ধস নেমেছে ভারতীয় শেয়ারবাজারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঘোষণা ও ইরানের বিরুদ্ধে ফের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিতের পর বুধবার (৮ জুলাই) ব্যাপক বিক্রির চাপে একদিনেই প্রায় ১ হাজার ৬৭৭ পয়েন্ট হারিয়েছে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) প্রধান সূচক সেনসেক্স। একই দিনে বাজার মূলধন থেকেও প্রায় ১০ লাখ কোটি রুপি উধাও হয়ে গেছে।
দিন শেষে সেনসেক্স ১ হাজার ৬৭৭ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা প্রায় ২ দশমিক ১৫ শতাংশ কমে ৭৬ হাজার ৫০৩ পয়েন্টে অবস্থান করে। অপরদিকে জাতীয় শেয়ারবাজারের (এনএসই) প্রধান সূচক নিফটি ৫৫১ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট বা প্রায় ২ দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ২৩ হাজার ৮৪৬ দশমিক ৭৫ পয়েন্টে লেনদেন শেষ করে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসে ইতিবাচক ধারা থাকলেও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ফলে প্রায় সব খাতেই বিক্রির চাপ বেড়ে যায়।
সেক্টরভিত্তিক সূচকগুলোর মধ্যে নিফটির সব খাতই দিন শেষে নিম্নমুখী ছিল। ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও বড় ধরনের চাপ দেখা যায়। এদিন নিফটি স্মলক্যাপ-১০০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং নিফটি মিডক্যাপ-১০০ সূচক ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭৬ মার্কিন ডলারে পৌঁছানোয় বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে আসায় শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও পড়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্যের পর ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার সূচকের ফিউচার নিম্নমুখী হয়। প্রযুক্তি খাতের শেয়ারদরে পতনের কারণে নাসডাক কম্পোজিট সূচকও দুর্বল অবস্থানে লেনদেন করে।
