লাইসেন্স নবায়ন ফি আড়াই গুণ বাড়ানোর প্রতিবাদে দেশের ৬০টির বেশি বীমা কোম্পানি এখনো ২০২৬ সালের লাইসেন্স নবায়ন করেনি। আগে প্রতি হাজার টাকা প্রিমিয়ামে নবায়ন ফি ছিল ১ টাকা, যা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে। বর্ধিত এই ফি মেনে নিতে রাজি নয় অধিকাংশ কোম্পানি। যদিও প্রায় ২০টি কোম্পানি নতুন হারে ফি দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করেছে, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো আগের হারেই লাইসেন্স নবায়নের দাবিতে অনড় রয়েছে।

লাইসেন্স নবায়ন ফি আড়াই গুণ বাড়ানোর প্রতিবাদে দেশের ৬০টির বেশি বীমা কোম্পানি এখনো ২০২৬ সালের লাইসেন্স নবায়ন করেনি। আগে প্রতি হাজার টাকা প্রিমিয়ামে নবায়ন ফি ছিল ১ টাকা, যা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে। বর্ধিত এই ফি মেনে নিতে রাজি নয় অধিকাংশ কোম্পানি। যদিও প্রায় ২০টি কোম্পানি নতুন হারে ফি দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করেছে, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো আগের হারেই লাইসেন্স নবায়নের দাবিতে অনড় রয়েছে।

অন্যদিকে, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) বলছে, সরকারি বাজেট না পাওয়ায় সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনা ও ডিজিটালাইজেশনসহ বিভিন্ন ব্যয় মেটাতে লাইসেন্স ফি বাড়ানো হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবেচনায় রয়েছে।

এ অবস্থায় লাইসেন্স নবায়ন ছাড়া অধিকাংশ কোম্পানির ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে নতুন পলিসির আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে বীমা কোম্পানিগুলোর দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করায় গ্রাহকদের পলিসি বা দাবি নিষ্পত্তিতে কোনো আইনি জটিলতা হওয়ার কথা নয়। খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত এ অচলাবস্থার সমাধান না হলে বীমা খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দুর্বল হতে পারে।