রয়্যাল ফুটওয়্যারের কিউআইও অনুমোদন
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজার থেকে কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ফুটওয়্যার পিএলসি। এসএমই খাতে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কোম্পানিটির কিউআইও অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দীর্ঘ দুই বছর দুই মাস পর বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশন কিউআইও অনুমোদন দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০২০তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজার থেকে কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ফুটওয়্যার পিএলসি। এসএমই খাতে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কোম্পানিটির কিউআইও অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দীর্ঘ দুই বছর দুই মাস পর বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশন কিউআইও অনুমোদন দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০২০তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, রয়্যাল ফুটওয়্যার পিএলসি শতভাগ রপ্তানিমুখী জুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জুতা রপ্তানি করে থাকে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম খ্যাতনামা জুতা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান রস-এর কাছেও জুতা সরবরাহ করেছে। কোম্পানিটিকে শেয়ারবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিটি কিউআইওর মাধ্যমে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে ইস্যু করবে।
উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি অর্থ ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, খুচরা যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল ক্রয় এবং শেয়ার ইস্যু-সংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহে ব্যবহার করবে।
কোম্পানিটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৭ টাকা ৫৪ পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ১৫ টাকা ৭৪ পয়সা। এছাড়া শেয়ারপ্রতি অর্ধবার্ষিক আয় (ইপিএস) ছিল ৮২ পয়সা।
এই শেয়ার ইস্যুতে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে এবং ইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড আন্ডাররাইটার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
