মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক গড়েছেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা দাঁড় করিয়েছেন ২২-এ। এর মধ্য দিয়ে ২১ গোল নিয়ে এতদিন শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন তিনি।
ফ্রান্সের হয়ে এর আগেই জুস্ত ফঁতেন, মিশেল প্লাতিনি, জঁ-পিয়েরে পাপিন, থিয়েরি অঁরি ও অলিভিয়ের জিরুসহ দেশটির কিংবদন্তি গোলদাতাদের পেছনে ফেলে জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার ...
বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক গড়েছেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা দাঁড় করিয়েছেন ২২-এ। এর মধ্য দিয়ে ২১ গোল নিয়ে এতদিন শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন তিনি।
ফ্রান্সের হয়ে এর আগেই জুস্ত ফঁতেন, মিশেল প্লাতিনি, জঁ-পিয়েরে পাপিন, থিয়েরি অঁরি ও অলিভিয়ের জিরুসহ দেশটির কিংবদন্তি গোলদাতাদের পেছনে ফেলে জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেছিলেন এমবাপ্পে। এবার সেই সাফল্যের সঙ্গে যোগ হলো বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড।
এমবাপ্পের এই জোড়া গোল তাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়েও সবচেয়ে এগিয়ে দিয়েছে। টুর্নামেন্টে তার গোল এখন ১০টি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিওনেল মেসির গোল ৮টি। ফলে গোল্ডেন বুট জিততে হলে ফাইনালে মেসিকে অসাধারণ কিছু করতে হবে।
বিশ্বকাপে এমবাপ্পের ধারাবাহিকতা ঈর্ষণীয়। ২০১৮ বিশ্বকাপে করেছিলেন ৪ গোল, ২০২২ বিশ্বকাপে ৮ গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই করেছেন ১০ গোল। তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার গোলসংখ্যা এখন ২২।
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় এমবাপ্পে ছাড়িয়ে গেছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ডও। আরও বড় বিষয় হলো, মেসি যেখানে বিশ্বকাপে ২১ গোল করতে খেলেছেন ৩৩টি ম্যাচ, সেখানে এমবাপ্পে মাত্র ২২ ম্যাচেই করেছেন ২২ গোল।
মাত্র ২৭ বছর বয়সেই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নেওয়া এমবাপ্পের সামনে এখন আরও ইতিহাস গড়ার সুযোগ। ২০৩০ বিশ্বকাপেও যদি একই ছন্দ ধরে রাখতে পারেন, তাহলে তার গোলসংখ্যা কোথায় গিয়ে থামবে, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় কৌতূহল।
