বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য আবারও আলোচনায় এনেছেন গায়িকা নেহা কক্কড়ের সঙ্গে তাঁর পুরনো মতবিরোধ। দুই বছর আগে রিয়েলিটি শো সুপারস্টার সিঙ্গার ৩-এ বিয়েবাড়িতে গান গাওয়া নিয়ে দু'জনের যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই প্রসঙ্গেই ফের মন্তব্য করেছেন অভিজিৎ। পাশাপাশি নেহার পারিশ্রমিকের দাবির বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

যদিও সাক্ষাৎকারে নেহার নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি অভিজিৎ। তিনি বলেন, কোনো শিল্পীর নাম নিয়ে তাকে প্রচার দিতে চান না। তাঁর ...

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য আবারও আলোচনায় এনেছেন গায়িকা নেহা কক্কড়ের সঙ্গে তাঁর পুরনো মতবিরোধ। দুই বছর আগে রিয়েলিটি শো সুপারস্টার সিঙ্গার ৩-এ বিয়েবাড়িতে গান গাওয়া নিয়ে দু'জনের যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই প্রসঙ্গেই ফের মন্তব্য করেছেন অভিজিৎ। পাশাপাশি নেহার পারিশ্রমিকের দাবির বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

যদিও সাক্ষাৎকারে নেহার নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি অভিজিৎ। তিনি বলেন, কোনো শিল্পীর নাম নিয়ে তাকে প্রচার দিতে চান না। তাঁর ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট শিল্পী খুব ভালো গায়িকা হলেও নিজেকে নিয়ে বড় অঙ্কের পারিশ্রমিকের দাবি করা মূলত বাজারে নিজের মূল্য বাড়ানোর কৌশল। তিনি বলেন, "আমি এক কোটি, পাঁচ কোটি বা দশ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিই—এভাবে কখনোই বলি না। আমি সে ধরনের প্রচারে বিশ্বাসী নই।"

অভিজিতের দাবি, খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া অনেক শিল্পী অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি করেন, যার ভোগান্তিতে পড়তে হয় অনুষ্ঠান আয়োজকদের। এ প্রসঙ্গে তিনি জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষালের প্রশংসা করে বলেন, নতুনদের তাঁর কাছ থেকে পেশাদারিত্ব শেখা উচিত। তাঁর মতে, অনেকেই কয়েকটি গান গেয়েই জনপ্রিয় হয়ে যান, পরে আর তেমন দেখা না গেলেও আয়োজকদের নানা সমস্যায় ফেলেন।

বিয়েবাড়িতে গান গাওয়া প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন অভিজিৎ। তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো বিয়ের অনুষ্ঠানে গান করেননি। তাঁর বিশ্বাস, একজন শিল্পীর শিল্পকে শুধু অর্থের বিনিময়ে বিচার করা উচিত নয় এবং শিল্পের মর্যাদা বজায় রাখা জরুরি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সুপারস্টার সিঙ্গার ৩-এর একটি পর্বে এক প্রতিযোগীকে পরামর্শ দিতে গিয়ে অভিজিৎ বলেছিলেন, বিয়েবাড়িতে গান গাওয়ার মাধ্যমে শিল্পকে বিক্রি করা উচিত নয়। তবে তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হননি নেহা কক্কড়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, কোনো পরিবার যদি ভালোবাসা ও সম্মান দিয়ে আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে সেখানে গান গাওয়ায় অসম্মানের কিছু নেই। তাঁর মতে, কোনো কাজই ছোট নয়; একজন শিল্পী যদি নিজের প্রতিভা দিয়ে মানুষের আনন্দের অংশ হতে পারেন, সেটিই সবচেয়ে বড় বিষয়।