ছাত্র আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পক্ষে বার্তা
বিনোদন ডেস্ক: ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলন নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং সরকারের প্রতি শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্প্রতি যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে অনেক তারকার মতো সালমান খানও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
ইনস্টাগ্রামে ছাত্রজীবনের একটি ...
বিনোদন ডেস্ক: ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলন নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং সরকারের প্রতি শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্প্রতি যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে অনেক তারকার মতো সালমান খানও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
ইনস্টাগ্রামে ছাত্রজীবনের একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করে সালমান লেখেন, "এটি খুবই শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন ছিল। শেষ পর্যন্ত তা সহিংস মোড় নেওয়ায় খুব খারাপ লেগেছে। যারা আহত হয়েছে এবং তাদের পরিবার—সবার জন্যই আমার কষ্ট হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে আরও ভালো শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে দেশের ছাত্রছাত্রীরা যেভাবে একজোট হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।"
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি নিষ্ঠা, ভবিষ্যৎ গড়ার ইচ্ছা এবং একটি শিক্ষিত ভারত গড়ার স্বপ্ন অনুপ্রেরণাদায়ক। তাঁর ভাষায়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতান্ত্রিক পথ এবং শিক্ষার্থীরা সেই পথই বেছে নিয়েছে।
সালমান আরও মন্তব্য করেন, এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর মতে, এটি ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয় এবং এর কৃতিত্বও শিক্ষার্থীদেরই প্রাপ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে।
পোস্টের শেষদিকে সালমান লেখেন, "শিক্ষাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠুক। এমন একটি সময় আসুক, যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা ভারতে পড়তে আসবে এবং ভারত বিশ্বমানের শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।"
সালমানের এই বার্তা প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর সমর্থন ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন।
