লোকসান সাড়ে ৩ হাজার কোটি, কাগজে মুনাফা ২২ কোটি
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ান ব্যাংকের ২০২৫ সালে প্রকৃতপক্ষে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা টাকা বা শেয়ারপ্রতি ৩১ টাকা লোকসান হয়েছে। তবে এ ব্যাংকটির ওই বছরের ব্যবসায় প্রায় ২২ কোটি টাকা বা শেয়ারপ্রতি ০.২০ টাকা মুনাফা দেখানো হয়েছে।
ব্যাংকটির ২০২৫ সালের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
নিরীক্ষক জানিয়েছেন, ব্যাংকটির আর্থিক হিসাবে কর পরবর্তী নিট মুনাফা ২১.৬৮ কোটি টাকা, নিট সম্পদ ২,৩৩৬.৭৩ কোটি টাকা, শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ০.২০ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি ...
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ান ব্যাংকের ২০২৫ সালে প্রকৃতপক্ষে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা টাকা বা শেয়ারপ্রতি ৩১ টাকা লোকসান হয়েছে। তবে এ ব্যাংকটির ওই বছরের ব্যবসায় প্রায় ২২ কোটি টাকা বা শেয়ারপ্রতি ০.২০ টাকা মুনাফা দেখানো হয়েছে।
ব্যাংকটির ২০২৫ সালের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
নিরীক্ষক জানিয়েছেন, ব্যাংকটির আর্থিক হিসাবে কর পরবর্তী নিট মুনাফা ২১.৬৮ কোটি টাকা, নিট সম্পদ ২,৩৩৬.৭৩ কোটি টাকা, শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ০.২০ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২১.৯২ টাকা দেখানো হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ঋণ ও অগ্রিমের বিপরীতে ৩,৯০৩.০৪ কোটি টাকা সঞ্চিতি গঠন করেনি। এই সঞ্চিতি গঠন করা হলে ব্যাংকটিতে কর পরবর্তী নিট লোকসান দাঁড়াতো (৩,৩৪০.২১) কোটি টাকা। এছাড়া নিট সম্পদ হতো ঋণাত্মক (১,০২৫.১৫) কোটি টাকা, শেয়ারপ্রতি লোকসান (৩১.৩৪) টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়াতো ঋণাত্মক (৯.৬২) টাকা।
এদিকে ওই সঞ্চিতি গঠন করা হলে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ১৩ অনুযায়ী (১৫ জুন ২০২৩ সংশোধনী) ওয়ান ব্যাংকের মূলধন নির্ধারিত ৫০০ কোটি টাকার ন্যূনতম আইনগত মূলধনের অনেক নিচে থাকত বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী একক (সোলো) ও সমন্বিত (কনসোলিডেটেড) উভয় ভিত্তিতে ব্যাংকের মোট মূলধনসহ ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফার (সিসিবি) ন্যূনতম ১২.৫০ শতাংশ বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু সঞ্চিতি ছাড়াই ওয়ান ব্যাংকের সিসিবি একক ভিত্তিতে ১১.১২ শতাংশ এবং সমন্বিত ভিত্তিতে ১১.৩৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা নিয়ন্ত্রক সীমার নিচে। এর ফলে ব্যাংকটির মূলধন পর্যাপ্ততায় ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ওয়ান ব্যাংকের কোম্পানি সচিব জন সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপ, ই-মেইল এবং ব্যাংকের নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
