অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক :   দেশের শেয়ারবাজারে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে তালিকাভুক্ত আমরা টেকনোলজিস লিমিটেডের শেয়ারের দাম সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তবে এই দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। ফলে শেয়ারটির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কৌতূহলের পাশাপাশি ঝুঁকির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

শেয়ারের দাম ও লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গত ২ আগস্ট কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। এর জবাবে আমরা টেকনোলজিস ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : দেশের শেয়ারবাজারে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে তালিকাভুক্ত আমরা টেকনোলজিস লিমিটেডের শেয়ারের দাম সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তবে এই দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। ফলে শেয়ারটির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কৌতূহলের পাশাপাশি ঝুঁকির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

শেয়ারের দাম ও লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গত ২ আগস্ট কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। এর জবাবে আমরা টেকনোলজিস জানায়, বর্তমানে তাদের কাছে এমন কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই, যা শেয়ারের দাম বা লেনদেনকে প্রভাবিত করতে পারে।

অর্থাৎ কোম্পানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা আর্থিক অবস্থায় এমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেনি, যা সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১৬ টাকা ১৯ পয়সা। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে ২ আগস্ট তা দাঁড়ায় ২১ টাকা ৫০ পয়সায়। ফলে কয়েকটি কার্যদিবসেই শেয়ারটির দাম বেড়েছে ৫ টাকা ৩১ পয়সা বা ৩২ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কয়েকটি সেশনে দৈনিক লেনদেন স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, ছোট মূলধনি কোম্পানির ক্ষেত্রে এ ধরনের অস্বাভাবিক লেনদেন অনেক সময় কৃত্রিম চাহিদার ইঙ্গিত বহন করতে পারে। তাই এ ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড ২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানিটি 'জেড' ক্যাটাগরিতে রয়েছে। এর পরিশোধিত মূলধন ৬৫ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৭ হাজার ৪৪২টি।

সর্বশেষ ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত শেয়ার ধারণের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির ৩০ দশমিক ০১ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে, ৩৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং বাকি ৩৬ দশমিক ৩১ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।