১৪ কার্যদিবসে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের শেয়ারদর ৩২% বৃদ্ধি
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : দেশের শেয়ারবাজারে বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ারদর সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তবে এই দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
শেয়ারের দাম ও লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গত ৩ আগস্ট কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। জবাবে কোম্পানি জানায়, বর্তমানে তাদের কাছে এমন কোনো অপ্রকাশিত তথ্য নেই, যা শেয়ারের দাম বা লেনদেনে প্রভাব ফেলতে পারে।
কোম্পানির ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : দেশের শেয়ারবাজারে বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ারদর সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তবে এই দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
শেয়ারের দাম ও লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গত ৩ আগস্ট কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। জবাবে কোম্পানি জানায়, বর্তমানে তাদের কাছে এমন কোনো অপ্রকাশিত তথ্য নেই, যা শেয়ারের দাম বা লেনদেনে প্রভাব ফেলতে পারে।
কোম্পানির এই বক্তব্যের অর্থ হলো, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, আর্থিক অবস্থা বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেনি, যা সাম্প্রতিক শেয়ারদরের উল্লম্ফনের যৌক্তিক কারণ হতে পারে।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত ১৯ জুলাই শেয়ারটির দাম ছিল ৮২ টাকা ৬০ পয়সা। আর ৩ আগস্ট লেনদেন শেষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৯ টাকা ৩০ পয়সায়। ফলে মাত্র ১৪ কার্যদিবসে শেয়ারটির দাম বেড়েছে ২৬ টাকা ৭০ পয়সা, যা প্রায় ৩২ দশমিক ৩২ শতাংশ।
শুধু শেয়ারদরই নয়, একই সময়ে কোম্পানিটির লেনদেনের পরিমাণও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। কয়েকটি সেশনে দৈনিক লেনদেন স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, ছোট মূলধনি কোম্পানির ক্ষেত্রে এ ধরনের হঠাৎ লেনদেন বৃদ্ধি অনেক সময় কৃত্রিম চাহিদা বা জল্পনাকল্পনার ইঙ্গিত দেয়। তবে এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় সোনারগাঁও টেক্সটাইল। 'বি' ক্যাটাগরির কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ২৬ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৬৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬টি।
সর্বশেষ ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত শেয়ার ধারণের চিত্র অনুযায়ী, কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৪.৪৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮.১৯ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ০.০১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.৩৫ শতাংশ শেয়ার।
