এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্তির জন্য করা কিউআইও আবেদন মূল মার্কেটের আইপিও আবেদনে রূপান্তরের সুযোগ পাচ্ছে না ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসি। কোম্পানিটির এ ধরনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

কোম্পানিকে দেওয়া এক চিঠিতে বিএসইসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন রুলস অনুযায়ি কিউআইও আবেদনকে আইপিও আবেদনে রূপান্তরের কোনো বিধান নেই। ফলে বিদ্যমান বিধিমালার আওতায় এ ধরনের পরিবর্তনের অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়।

জানা গেছে, ব্রেইন স্টেশন ২৩ গত বছরের ২৮ ...

এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্তির জন্য করা কিউআইও আবেদন মূল মার্কেটের আইপিও আবেদনে রূপান্তরের সুযোগ পাচ্ছে না ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসি। কোম্পানিটির এ ধরনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

কোম্পানিকে দেওয়া এক চিঠিতে বিএসইসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন রুলস অনুযায়ি কিউআইও আবেদনকে আইপিও আবেদনে রূপান্তরের কোনো বিধান নেই। ফলে বিদ্যমান বিধিমালার আওতায় এ ধরনের পরিবর্তনের অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়।

জানা গেছে, ব্রেইন স্টেশন ২৩ গত বছরের ২৮ অক্টোবর কিউআইওর মাধ্যমে এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্তির জন্য বিএসইসিতে আবেদন করেছিল। পরে চলতি বছরের ৫ জুলাই কোম্পানিটি আবেদনটি পরিবর্তন করে মূল মার্কেটের আইপিও আবেদনে রূপান্তরের জন্য কমিশনের কাছে অনুরোধ জানায়। তবে বিধিমালায় এ ধরনের সুযোগ না থাকায় সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএসইসি।

এর আগে ২০২৪ সালে এসএমই বোর্ডের মাধ্যমে কিউআইও করে ৫ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল ব্রেইন স্টেশন ২৩। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিউআইওটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে ছিল লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস।

কিউআইও থেকে সংগ্রহ করা অর্থের মধ্যে ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা কম্পিউটার ও বিভিন্ন আইটি সরঞ্জাম কেনার জন্য ব্যয় করার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, ম্যাকবুক প্রো, নেটওয়ার্ক সুইচ, অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার, স্টোরেজ সার্ভার ও ওয়াই-ফাই সরঞ্জাম কেনার কথা ছিল।

২০২৪ সালের ৯ জুন ব্রেইন স্টেশন ২৩-এর ৫ কোটি টাকার কিউআইও প্রস্তাব অনুমোদন করে বিএসইসি। তবে একই বছরের আগস্টে ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তার কারণ দেখিয়ে এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্তির পরিকল্পনা থেকে সরে আসে কোম্পানিটি।

সে সময় ব্রেইন স্টেশন ২৩-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাইসুল কবির জানিয়েছিলেন, কোম্পানিটির ব্যবসা বিদেশি গ্রাহকদের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। সে কারণে ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তার মধ্যে জনসাধারণের কাছ থেকে বিনিয়োগ নেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করা উপযুক্ত হবে না বলে তারা মনে করেছিলেন।

পরবর্তীতে কোম্পানিটি আবারও এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করে। তবে এবার কিউআইও আবেদনকে মূল মার্কেটের আইপিও আবেদনে রূপান্তরের চেষ্টা করেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পায়নি।

ব্রেইন স্টেশন ২৩ মূলত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন কাস্টমাইজেশন, ওয়েব হোস্টিং, আইটি সাপোর্ট এবং সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ সেবা দিয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘সিটিটাচ’-এর মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনও তৈরি করেছে।