চট্টগ্রাম বন্দরের ৪৪২ কনটেইনার পণ্য উঠছে ই-নিলামে
চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা এবং খালাস না হওয়া ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। বন্দরের কনটেইনার জট কমানো, সক্ষমতা বাড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ নিলাম আয়োজন করা হচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন দুটি পৃথক ই-অকশনের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। অনলাইনে ই-অকশন পোর্টালের মাধ্যমে আগ্রহী ক্রেতারা দরপত্রে অংশ নিতে পারবেন।
২৯০ কনটেইনারে যেসব পণ্য
চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ ...
চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা এবং খালাস না হওয়া ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। বন্দরের কনটেইনার জট কমানো, সক্ষমতা বাড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ নিলাম আয়োজন করা হচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন দুটি পৃথক ই-অকশনের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। অনলাইনে ই-অকশন পোর্টালের মাধ্যমে আগ্রহী ক্রেতারা দরপত্রে অংশ নিতে পারবেন।
২৯০ কনটেইনারে যেসব পণ্য
চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ ই-অকশন নম্বর ১০/২০২৬-এর আওতায় ১০১টি লটে ২৯০টি কনটেইনার নিলামে তোলা হবে। এসব পণ্যের কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভড ভ্যালু) রাখা হয়নি।
এই কনটেইনারগুলোতে কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, সুতা, কাপড়, সোলার মডিউল, লবণ, কাগজ, টাইলস ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য রয়েছে। এর সঙ্গে ৮৬টি পুরনো খালি কনটেইনারও নিলামে তোলা হবে।
অন্যদিকে ই-অকশন নম্বর ০৯/২০২৬-এর আওতায় ১০৯টি লটে ১৫২ কনটেইনার পণ্য বিক্রি করা হবে। এসব কনটেইনারে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, এসির যন্ত্রাংশ, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট ও এলিভেটরসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে।
যেভাবে অংশ নিতে হবে
ই-নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী ক্রেতাদের কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে। দরপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রস্তাবিত দরমূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল কাগজপত্রও জমা দিতে হবে।
ই-অকশন নম্বর ০৯/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টা পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে। নিলামের পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরেজমিনে পরিদর্শন করা যাবে। দরপত্র খোলা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ৩টায়।
অন্যদিকে বিশেষ ই-অকশন নম্বর ১০/২০২৬-এর দরপত্র জমা দেওয়া যাবে ২৭ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টা পর্যন্ত। এসব পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিদর্শনের সুযোগ থাকবে। দরপত্র খোলা হবে ২০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায়।
নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পণ্য খালাস নিতে হবে।
কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা এসব কনটেইনার নিলামের মাধ্যমে সরিয়ে ফেলা হলে বন্দরের জায়গা ব্যবহারের চাপ কমবে। একই সঙ্গে কনটেইনার জট কমিয়ে বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।
