বিনোদন ডেস্ক : একসময় দক্ষিণী তারকা রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করতে অস্বস্তি বোধ করেছিলেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমরীশ পুরী। এমনকি চেন্নাই থেকে ফিরে ছবির প্রযোজককে তিনি জানিয়েছিলেন, রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করতে তিনি স্বচ্ছন্দ নন। পরে অবশ্য রজনীকান্তের ক্ষমা চাওয়ার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। এরপর দুজন একসঙ্গে অভিনয় করেন হিন্দি ও তামিল মিলিয়ে মোট নয়টি ছবিতে।

সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির পডকাস্টে বাবাকে নিয়ে এই পুরোনো ঘটনা প্রকাশ করেন অমরীশ পুরীর ছেলে রাজীব পুরী।

রাজীব জানান, ...

বিনোদন ডেস্ক : একসময় দক্ষিণী তারকা রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করতে অস্বস্তি বোধ করেছিলেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমরীশ পুরী। এমনকি চেন্নাই থেকে ফিরে ছবির প্রযোজককে তিনি জানিয়েছিলেন, রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করতে তিনি স্বচ্ছন্দ নন। পরে অবশ্য রজনীকান্তের ক্ষমা চাওয়ার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। এরপর দুজন একসঙ্গে অভিনয় করেন হিন্দি ও তামিল মিলিয়ে মোট নয়টি ছবিতে।

সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির পডকাস্টে বাবাকে নিয়ে এই পুরোনো ঘটনা প্রকাশ করেন অমরীশ পুরীর ছেলে রাজীব পুরী।

রাজীব জানান, একবার চেন্নাই থেকে ফেরার পর অমরীশ পুরী ছবির প্রযোজককে বলেছিলেন, রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না। তাঁর মনে হয়েছিল, রজনীকান্ত তাঁর ওপর কিছুটা বেশি দাপট দেখাচ্ছেন। পরে রজনীকান্ত বিষয়টি বুঝতে পেরে ক্ষমা চান। এরপর তাঁদের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যায়।

রাজীবের ভাষ্য অনুযায়ী, অমরীশ পুরী ও রজনীকান্ত ‘তলপতি’ ছবিতেও একসঙ্গে কাজ করেন। বাবার রজনীকান্তকে খুব পছন্দ ছিল বলেও জানান তিনি।

অমরীশ পুরী ও রজনীকান্তের একসঙ্গে অভিনীত ছবির তালিকায় রয়েছে ‘অন্ধা কানুন’ (১৯৮৩), ‘গঙ্গওয়া’ (১৯৮৪), ‘গিরফতার’ ও ‘মহাগুরু’ (১৯৮৫), ‘অসলি নকলি’ ও ‘দোস্তি দুশমন’ (১৯৮৬), ‘ইনসাফ কৌন করেগা’ (১৯৮৭), ‘তলপতি’ (১৯৯১) এবং ‘বাবা’ (২০০২)।

গোবিন্দকে চড় মারার ঘটনা নিয়ে যা বললেন রাজীব

একই সাক্ষাৎকারে অমরীশ পুরীকে ঘিরে থাকা আরেকটি পুরোনো বিতর্ক নিয়েও কথা বলেন রাজীব। শোনা যায়, অভিনেতা গোবিন্দকে নাকি একবার চড় মেরেছিলেন অমরীশ। তবে এই ঘটনা সত্যি বলে মনে করেন না তাঁর ছেলে।

রাজীব বলেন, বাবার স্বভাবের সঙ্গে এমন ঘটনা একেবারেই মেলে না। তাঁর ভাষায়, অমরীশ পুরীকে কেউ দু-তিনবার বিরক্ত করলে তিনি হয়তো গলার স্বর চড়াতেন, কিন্তু কাউকে চড় মারার মতো মানুষ তিনি ছিলেন না।

গোবিন্দ পরবর্তীতে অমরীশ পুরীর সঙ্গে আর কাজ করেননি বলেও জানান রাজীব। তাঁর ধারণা, সময়মতো শুটিং সেটে না পৌঁছানোর মতো কোনো ঘটনা থেকেই দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে ব্যক্তিগতভাবে কারও ওপর দীর্ঘদিন রাগ পুষে রাখার মানুষ তাঁর বাবা ছিলেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।