ধসের বাজারে চিনির শেয়ারে উল্লম্ফন
আগস্টের শেষ দিনে ভারতের শেয়ারবাজারে বড় পতন হলেও বিপরীত চিত্র দেখা গেছে চিনির কোম্পানিগুলোর শেয়ারে। সোমবার (৩১ আগস্ট) লেনদেন শেষে সেনসেক্স ৩০০ পয়েন্টের বেশি এবং নিফটি ৯৫ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমেছে। তবে বাজারের এই দরপতনের মধ্যেও বেশ কয়েকটি চিনির কোম্পানির শেয়ারে ভালো মুনাফা পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
দিনের লেনদেনে চিনির খাতের কিছু শেয়ারে সর্বোচ্চ প্রায় ১১ শতাংশ পর্যন্ত উত্থান দেখা যায়। এর মধ্যে বলরামপুর চিনি মিলস, শ্রী রেণুকা সুগারস, মাওয়ানা সুগারস ও অন্যান্য ...
আগস্টের শেষ দিনে ভারতের শেয়ারবাজারে বড় পতন হলেও বিপরীত চিত্র দেখা গেছে চিনির কোম্পানিগুলোর শেয়ারে। সোমবার (৩১ আগস্ট) লেনদেন শেষে সেনসেক্স ৩০০ পয়েন্টের বেশি এবং নিফটি ৯৫ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমেছে। তবে বাজারের এই দরপতনের মধ্যেও বেশ কয়েকটি চিনির কোম্পানির শেয়ারে ভালো মুনাফা পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
দিনের লেনদেনে চিনির খাতের কিছু শেয়ারে সর্বোচ্চ প্রায় ১১ শতাংশ পর্যন্ত উত্থান দেখা যায়। এর মধ্যে বলরামপুর চিনি মিলস, শ্রী রেণুকা সুগারস, মাওয়ানা সুগারস ও অন্যান্য কোম্পানির শেয়ার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বলরামপুর চিনি মিলসের শেয়ারের দাম প্রায় ৩৪ টাকা বেড়ে ৬৮৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে। শতাংশের হিসাবে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশের কাছাকাছি। দিনের লেনদেনে একপর্যায়ে শেয়ারটির দাম ৭৩৮ টাকায় উঠেছিল, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
এ ছাড়া ডালমিয়া ভারত লিমিটেডের শেয়ারের দাম ৪৪ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৮৯০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
চিনির খাতের অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে ত্রিবেণী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ, শ্রী রেণুকা সুগারস ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং মাওয়ানা সুগারসের শেয়ার ৭২ পয়সা বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির চাহিদা বাড়ায় চিনিকলগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে ভারতে উৎসবের মৌসুম শুরু হওয়ায় আগামী কয়েক মাস চিনির খুচরা বিক্রি বাড়তে পারে। এতে চিনির কোম্পানিগুলোর শেয়ারে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিতে পারে।
এদিকে ভারতে পেট্রলে ইথানল মেশানোর বাধ্যবাধকতার কারণে চিনিকলগুলোতে আখের চাহিদা বেড়েছে। এতে কাঁচামালের সংকট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি বাজারে চিনির দামও বাড়ছে। দেশটির খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম এখনো ৬০ রুপির নিচে নামেনি।
