দেশের মিউচুয়াল ফান্ড শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও বিনিয়োগকারীবান্ধব করতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. নাফিজ আল তারিক। তিনি বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের মিউচুয়াল ফান্ডে প্রবেশাধিকার সহজ করার পাশাপাশি এ খাতের বিকাশেও আধুনিক প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের (ওইএমএফ) ইউনিট সৃষ্টি ও রিডেম্পশনের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রস্তাবিত ওয়েবভিত্তিক অর্ডার কালেকশন সিস্টেম নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব ...

দেশের মিউচুয়াল ফান্ড শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও বিনিয়োগকারীবান্ধব করতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. নাফিজ আল তারিক। তিনি বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের মিউচুয়াল ফান্ডে প্রবেশাধিকার সহজ করার পাশাপাশি এ খাতের বিকাশেও আধুনিক প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের (ওইএমএফ) ইউনিট সৃষ্টি ও রিডেম্পশনের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রস্তাবিত ওয়েবভিত্তিক অর্ডার কালেকশন সিস্টেম নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার ডিএসই এ কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. মাহমুদুল হক, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার এবং মার্কেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়েরসহ দুই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নাফিজ আল তারিক বলেন, প্রস্তাবিত প্ল্যাটফর্মটি দেশের মিউচুয়াল ফান্ড শিল্পের বিকাশ এবং বিনিয়োগকারীদের কার্যকর সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিনিয়োগের সুযোগ যত সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা যাবে, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে মানুষের আগ্রহও তত বাড়বে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে বিনিয়োগকারীদের প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং মিউচুয়াল ফান্ডকে আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ প্রয়োজন। অনলাইনে ইউনিট কেনা ও রিডেম্পশনের প্রক্রিয়া সহজ হলে বিনিয়োগকারীরা প্রচলিত জটিলতা কমিয়ে দ্রুত সেবা নিতে পারবেন।

বিনিয়োগে সহজতা ও স্বচ্ছতা বাড়বে

অনুষ্ঠানে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সমন্বিত সুবিধা নিশ্চিত করা এবং তাদের পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ তৈরির লক্ষ্যেই এক্সচেঞ্জকে আধুনিকায়নের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ওয়েবভিত্তিক অর্ডার কালেকশন সিস্টেম মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, সুবিধাজনক ও স্বচ্ছ করবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সেবার পরিধিও সম্প্রসারিত হবে।

ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে ইউনিট সৃষ্টি ও রিডেম্পশনের প্রক্রিয়া সহজ হওয়া বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ ধরনের ফান্ডে বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ফান্ডে অর্থ বিনিয়োগ করে ইউনিট নিতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে সেই ইউনিট রিডেম্পশনের মাধ্যমে অর্থ ফেরত নিতে পারেন। প্রক্রিয়াটি প্রযুক্তিনির্ভর হলে লেনদেনে সময় ও জটিলতা কমার পাশাপাশি স্বচ্ছতাও বাড়তে পারে।

প্রস্তাবিত সিস্টেমের কার্যক্রম তুলে ধরা

কর্মশালায় ডিএসইর মার্কেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়ের প্রস্তাবিত সিস্টেমের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য, কার্যক্রমের কাঠামো ও কার্যকারিতা তুলে ধরেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের প্রক্রিয়াকে প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি এ খাতের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিকল্প পণ্য হিসেবে মিউচুয়াল ফান্ডের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়তে পারে।