দীর্ঘ অপেক্ষার পর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (এনএসই)। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে বহুল প্রতীক্ষিত প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে আবেদন নেওয়া শুরু হবে। প্রায় এক দশক আগে তালিকাভুক্তির পরিকল্পনা করলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

এনএসইর আইপিওর আকার প্রায় ২২ হাজার ৫৬৯ কোটি রুপি। এর ফলে এটি ভারতের ইতিহাসে অন্যতম বড় আইপিও হতে যাচ্ছে। শেয়ারবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ ...

দীর্ঘ অপেক্ষার পর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (এনএসই)। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে বহুল প্রতীক্ষিত প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে আবেদন নেওয়া শুরু হবে। প্রায় এক দশক আগে তালিকাভুক্তির পরিকল্পনা করলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

এনএসইর আইপিওর আকার প্রায় ২২ হাজার ৫৬৯ কোটি রুপি। এর ফলে এটি ভারতের ইতিহাসে অন্যতম বড় আইপিও হতে যাচ্ছে। শেয়ারবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

তবে এই আইপিওর একটি বিশেষ দিক রয়েছে। পুরো ইস্যুটিই হবে ‘অফার ফর সেল’ বা ওএফএস। অর্থাৎ এনএসই নতুন কোনো শেয়ার ছাড়বে না। বরং প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান শেয়ারহোল্ডাররা তাঁদের হাতে থাকা শেয়ারের একটি অংশ বিক্রি করবেন।

ফলে আইপিও থেকে পাওয়া অর্থ এনএসইর ব্যবসায় নতুন মূলধন হিসেবে যুক্ত হবে না। শেয়ার বিক্রির বিপরীতে পাওয়া অর্থ সরাসরি বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছেই যাবে।

আইপিওতে এনএসইর প্রতিটি শেয়ারের দাম ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৭৮৫ রুপির মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইপিওতে আবেদন করতে পারবেন। এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের জন্য নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এনএসইর শেয়ার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারে।

এদিকে আইপিওতে কয়েকজন বড় শেয়ারহোল্ডার তাঁদের বিক্রি করতে চাওয়া শেয়ারের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে আইপিওর মোট আকার আগের পরিকল্পনার তুলনায় ১৫ শতাংশের বেশি কমেছে।

এনএসইর মতো দেশের প্রধান শেয়ারবাজার প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রায় ১০ বছর ধরে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা প্রতিষ্ঠানটির আইপিও শেষ পর্যন্ত কী ধরনের সাড়া ফেলে এবং তালিকাভুক্তির পর শেয়ারের বাজারদর কোন পর্যায়ে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।