অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) বহুল প্রতীক্ষিত প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ারের সম্ভাব্য বাজারদর এক সপ্তাহে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আইপিওর শেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর আগে অনানুষ্ঠানিক বাজারে যে দামে কেনাবেচার ইঙ্গিত পাওয়া যায়, সেটিকে গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম (জিএমপি) বলা হয়। সেই হিসাবে এনএসইর শেয়ারের সম্ভাব্য বাড়তি দর ১১ সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১৭ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪৩ শতাংশ কমেছে।

১৭ সেপ্টেম্বর এনএসইর আইপিওর জিএমপি কমে ১২৫ রুপিতে নেমে এসেছে। আইপিওতে ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) বহুল প্রতীক্ষিত প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ারের সম্ভাব্য বাজারদর এক সপ্তাহে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আইপিওর শেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর আগে অনানুষ্ঠানিক বাজারে যে দামে কেনাবেচার ইঙ্গিত পাওয়া যায়, সেটিকে গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম (জিএমপি) বলা হয়। সেই হিসাবে এনএসইর শেয়ারের সম্ভাব্য বাড়তি দর ১১ সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১৭ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪৩ শতাংশ কমেছে।

১৭ সেপ্টেম্বর এনএসইর আইপিওর জিএমপি কমে ১২৫ রুপিতে নেমে এসেছে। আইপিওতে শেয়ারের সর্বোচ্চ ইস্যু মূল্য ১ হাজার ৭৮৫ রুপি। এর সঙ্গে ১২৫ রুপি প্রিমিয়াম যোগ করলে অনানুষ্ঠানিক বাজারে সম্ভাব্য তালিকাভুক্তি মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৯১০ রুপি। অর্থাৎ ইস্যু মূল্যের চেয়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেশি দামে তালিকাভুক্তির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এটি কোনো নিশ্চিত তালিকাভুক্তি মূল্য নয়।

এনএসইর আইপিও নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের মধ্যে গত কয়েক দিনে এই সম্ভাব্য বাড়তি দর ধারাবাহিকভাবে কমেছে। ১১ সেপ্টেম্বর শেয়ারটির জিএমপি ছিল ২১৮ রুপি। এরপর ১২ সেপ্টেম্বর ২০৮, ১৩ সেপ্টেম্বর ২১০, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০৮, ১৫ সেপ্টেম্বর ১৬০ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর ১৪৫ রুপিতে নেমে আসে। ১৭ সেপ্টেম্বর তা আরও কমে ১২৫ রুপিতে দাঁড়ায়। অর্থাৎ ছয় দিনে সম্ভাব্য বাড়তি দর কমেছে ৯৩ রুপি বা প্রায় ৪৩ শতাংশ।

প্রায় ১০ বছর অপেক্ষার পর এনএসইর আইপিও বাজারে এসেছে। ২২ হাজার ৫৬৯ কোটি রুপির এই আইপিওতে শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৭৮৫ রুপি। একটি লটে রয়েছে আটটি শেয়ার। ফলে খুচরা বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম বিনিয়োগ করতে হবে ১৪ হাজার ২৮০ রুপি।

এদিকে এনএসইর আর্থিক ফলেও কিছুটা মন্থরতা দেখা গেছে। ২০২৬ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন আয় কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬০১ কোটি রুপি, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১৭ হাজার ১৪১ কোটি রুপি। একই সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা ১২ হাজার ১৮৮ কোটি রুপি থেকে কমে হয়েছে ১০ হাজার ৩০২ কোটি রুপি।

আইপিওর শেয়ার লেনদেন শুরুর আগে অনানুষ্ঠানিক বাজারের এই দামের পতন বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে তালিকাভুক্তির পর প্রকৃত বাজারদর কত হবে, তা নির্ধারিত হবে স্টক এক্সচেঞ্জে আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হওয়ার পর।