কমোডের ট্যাংকে ৪ কেজি স্বর্ণের পেস্ট
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়াশরুমের কমোডের ট্যাংক থেকে ৪ কেজি ২০৪ গ্রাম স্বর্ণসদৃশ পেস্ট উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা আটটি প্যাকেটে থাকা পেস্টের প্রাথমিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের কাস্টমস হলের ১ নম্বর বেল্টসংলগ্ন ওয়াশরুমে অভিযান চালিয়ে এসব পেস্ট উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়াশরুমের একটি কমোডের ট্যাংকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পলিথিনে মোড়ানো আটটি ...
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়াশরুমের কমোডের ট্যাংক থেকে ৪ কেজি ২০৪ গ্রাম স্বর্ণসদৃশ পেস্ট উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা আটটি প্যাকেটে থাকা পেস্টের প্রাথমিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের কাস্টমস হলের ১ নম্বর বেল্টসংলগ্ন ওয়াশরুমে অভিযান চালিয়ে এসব পেস্ট উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়াশরুমের একটি কমোডের ট্যাংকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পলিথিনে মোড়ানো আটটি ডিমসদৃশ প্যাকেট পাওয়া যায়। প্যাকেটগুলোর কোনো মালিক পাওয়া যায়নি।
পরে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন গোয়েন্দা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্যাকেটগুলো উদ্ধার করে কাস্টমস হলের ইনভেন্টরি টেবিলে খোলা হয়। সেখানে প্রাথমিকভাবে ৪ দশমিক ২০৪ কেজি স্বর্ণসদৃশ পেস্ট পাওয়া যায়।
তবে উদ্ধার করা পেস্টে প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ ও বিশুদ্ধতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এজন্য নিবন্ধিত স্বর্ণকারের মাধ্যমে পেস্ট থেকে স্বর্ণ পৃথক করার কাজ চলছে। পৃথকীকরণ শেষে স্বর্ণের প্রকৃত ওজন ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণ করা হবে।
কাস্টমস গোয়েন্দার প্রাথমিক হিসাবে, উদ্ধার করা পেস্টে থাকা স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা হতে পারে।
মালিকবিহীন অবস্থায় বিমানবন্দরের ওয়াশরুমের কমোডের ট্যাংকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণসদৃশ পেস্ট রাখার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
