চার স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগে হস্তক্ষেপ করেনি ব্যাংক
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চার স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চিঠির জবাবে ব্যাংকটি বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ ও পরবর্তী নির্দেশনার সঙ্গে চার পরিচালকের পদত্যাগের বিষয়টি সম্পর্কিত। এতে ব্যাংকের নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত বা নীতিগত হস্তক্ষেপ ছিল না।
চার স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগের ঘটনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির কাছে ব্যাখ্যা চায় সিএসই। এর জবাবে ১৫ সেপ্টেম্বর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে বিষয়টি ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চার স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চিঠির জবাবে ব্যাংকটি বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ ও পরবর্তী নির্দেশনার সঙ্গে চার পরিচালকের পদত্যাগের বিষয়টি সম্পর্কিত। এতে ব্যাংকের নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত বা নীতিগত হস্তক্ষেপ ছিল না।
চার স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগের ঘটনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির কাছে ব্যাখ্যা চায় সিএসই। এর জবাবে ১৫ সেপ্টেম্বর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে। পরে গতকাল সোমবার সিএসইর ওয়েবসাইটে ব্যাংকের দেওয়া তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ব্যাংকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক আগে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের বিদ্যমান পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করে পাঁচজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছিল। ওই পাঁচ পরিচালকের মধ্যে চারজনই পরবর্তী সময়ে পদত্যাগ করেছেন। তারা হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. শাহীন উল ইসলাম, এনআরবি ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম আবু ইউসুফ।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া এসব স্বতন্ত্র পরিচালকের মেয়াদ শেষ হওয়া বা প্রত্যাহারের সঙ্গে পদত্যাগের বিষয়টি সম্পর্কিত। এ বিষয়ে ব্যাংকের নিজস্ব কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল না। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনও বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।
ব্যাংকের ভাষ্য, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সব সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরিপালন করে।
শেয়ারবাজারে ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ১৯৯৮ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৪০ দশমিক ৪১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৩৭ দশমিক ১৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২২ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার।
ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৫১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার রয়েছে ১১৫ কোটি ১৬ লাখ ৯১ হাজার ৭১৩টি।
