অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের লোকসান কমেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) ৩৬ দশমিক ২০ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ২১ পয়সা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে প্রকাশিত কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের নয় মাসে রপ্তানি আয় ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের লোকসান কমেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) ৩৬ দশমিক ২০ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ২১ পয়সা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে প্রকাশিত কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের নয় মাসে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় ও পরিচালন ব্যয় কমেছে। এতে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কর-পরবর্তী নিট লোকসান কমেছে। এর ফলে শেয়ারপ্রতি লোকসানও কমেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ঋণাত্মক ১ টাকা ৪১ পয়সা। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে ইপিএস ছিল ঋণাত্মক ২ টাকা ২১ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান ৮০ পয়সা বা ৩৬ দশমিক ২০ শতাংশ কমেছে।

এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকেও কোম্পানিটির লোকসান কমেছে। এ সময়ে ইপিএস হয়েছে ঋণাত্মক ৪৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই প্রান্তিকে ছিল ঋণাত্মক ৯০ পয়সা। ফলে তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান ৪৩ পয়সা বা ৪৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ কমেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ঋণাত্মক ৬১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ঋণাত্মক ৭৮ পয়সা।

লোকসান কমার পাশাপাশি পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহেও উন্নতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের নয় মাসে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল ঋণাত্মক ৫৩ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহে ১ টাকা ৫৪ পয়সা উন্নতি হয়েছে। কোম্পানির ভাষ্য, টার্নওভার থেকে নগদ আদায় বাড়ায় এ উন্নতি হয়েছে।

তবে লোকসান কমলেও কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) কমেছে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৩ টাকা ১১ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরে এনএভিপিএস ২ টাকা ৫ পয়সা বা ১৫ দশমিক ৬১ শতাংশ কমেছে।

কোম্পানিটি এখনো লোকসানে থাকলেও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় কমানোর কারণে চলতি অর্থবছরের নয় মাসে লোকসানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় কমেছে।