‘প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, খেলেই জিততে হবে’
খেলাধুলা ডেস্ক : এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। দুই বছর আগে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে শেষ বলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দলটি তুলনামূলক শক্তিশালী হলেও মালয়েশিয়াকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিচ্ছেন না বাংলাদেশ দলের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন।
আইচি–নাগোয়া এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ক্রিকেট শুরু হবে আগামী পরশু মালয়েশিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল দিয়ে। টুর্নামেন্টের আগে দেশে প্রায় ১০ দিনের ক্যাম্প করেছে বাংলাদেশ। এ সময় দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে দল। প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট সালাহউদ্দীন।
জাপানে ...
খেলাধুলা ডেস্ক : এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। দুই বছর আগে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে শেষ বলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দলটি তুলনামূলক শক্তিশালী হলেও মালয়েশিয়াকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিচ্ছেন না বাংলাদেশ দলের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন।
আইচি–নাগোয়া এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ক্রিকেট শুরু হবে আগামী পরশু মালয়েশিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল দিয়ে। টুর্নামেন্টের আগে দেশে প্রায় ১০ দিনের ক্যাম্প করেছে বাংলাদেশ। এ সময় দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে দল। প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট সালাহউদ্দীন।
জাপানে আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশের কোচ বলেন, এ ধরনের টুর্নামেন্টে যেকোনো দলই অঘটনের শিকার হতে পারে। একই মাঠে নিয়মিত খেলা হওয়ায় কন্ডিশন ও টসও ম্যাচের ফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
সালাহউদ্দীনের ভাষায়, ‘এ ধরনের টুর্নামেন্টে আপসেট হতেই পারে। কারণ, একই উইকেটে বারবার খেলা হয়। এখানে আসলে অনেক সময় টস একটা ফ্যাক্টর হতে পারে। এ কারণে বলব যে প্রতিটি ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগেই জিতে যাওয়া উচিত নয়। খেলেই আমাদের জিততে হবে।’
২০২৩ এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালেও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল মালয়েশিয়া। সাইফ হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল সেবার শেষ বলে ২ রানে জয় পেয়েছিল। এবার অবশ্য বাংলাদেশের দলটি আরও শক্তিশালী। এর আগে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব–২৩ দল মালয়েশিয়া জাতীয় দলের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলেছে এবং দুই সিরিজেই প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাই করেছে।
এশিয়ান গেমসে এখন পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে বেশ কয়েকটি ম্যাচে বিঘ্ন ঘটেছে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে সেমিফাইনালে উঠে যাবে বাংলাদেশ। তবে এমন সুবিধা নিয়ে আগেভাগে ভাবতে চান না সালাহউদ্দীন। তিনি বরং ম্যাচ খেলে জিততেই আগ্রহী।
বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘ম্যাচ হলে খুবই খুশি হবো; কারণ, আপনি হঠাৎ করে ৫–৭ দিন ম্যাচ ছাড়া যখন সরাসরি সেমিফাইনাল বা ফাইনাল খেলবেন, খুব কঠিন হয়ে যাবে। প্রথম ম্যাচটা আমরা কীভাবে খেলছি, ওখান থেকে পরেরটা আমরা চিন্তা করব। আগেই পরেরটার দিকে চিন্তা না করে আমাদের প্রথম ম্যাচটা নিয়ে আসলে ভাবা উচিত।’
এবারের এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে ঘিরে প্রত্যাশাও বেশি। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পদকের খাতায় যোগ হয়েছে শুধু উশুতে একটি ব্রোঞ্জ। নারী ক্রিকেট দলও পদক জিততে পারেনি। ফলে ছেলেদের ক্রিকেট থেকে একটি পদকের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
দলের ওপর এই প্রত্যাশার চাপের বিষয়টি স্বীকার করেছেন সালাহউদ্দীনও। তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সিরিজের তুলনায় এশিয়ান গেমসের মতো আসরে পুরো দেশের মানুষের নজর থাকে।
সালাহউদ্দীন বলেন, ‘যখন দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলি, এটা শুধু ক্রিকেটের যাঁরা, তাঁরাই হয়তো সেটা নিয়ে খুব ফোকাস করেন। কিন্তু এখানে পুরো দেশের মানুষ এটার দিকে তাকিয়ে আছে যে একটা পদক আমাদের জন্য। তো আমার মনে হয় ছেলেদের ওই মোটিভেশনটা আছে। আমরাও জানি যে এটার গুরুত্ব কতটুকু।’
