৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ
কক্সবাজারে ন্যাশনাল লাইফের ম্যানেজারস কনফারেন্স
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : কক্সবাজারে ম্যানেজারস কনফারেন্স আয়োজনের পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করেছে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
২৭ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের হোটেল লং বিচে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাজিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : কক্সবাজারে ম্যানেজারস কনফারেন্স আয়োজনের পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করেছে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
২৭ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের হোটেল লং বিচে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাজিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মাসুদ হোসেন, পরিচালক বিলকিস নাহার, পরিচালক রাজিয়া সুলতানা, এনএলআই সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার রেদওয়ান হোসেন, পরিচালক মাহমুদ হাবীব জামান এবং পরিচালক শাহীনুর মিনহাজ চৌধুরী।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন কোম্পানির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) প্রবীর চন্দ্র দাস, এফসিএ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কাসেম ও বাহার উদ্দিন মজুমদার এবং তাকাফুলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী জি এম হেলাল উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ন্যাশনাল লাইফ যথাসময়ে গ্রাহকদের বীমা দাবি পরিশোধ করে আসছে। কোম্পানির সংগৃহীত প্রিমিয়ামের অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ করা হয়। পাশাপাশি সরকারি বন্ডেও বিনিয়োগ করা হয়। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ন্যাশনাল লাইফ ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বীমা মানুষের জীবনের আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি সম্পদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে। তাই প্রত্যেক মানুষের জীবন ও সম্পদের বীমা থাকা প্রয়োজন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে প্রায় সব মানুষই বীমার আওতায় রয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনায় ন্যাশনাল লাইফকে দেশের শীর্ষ বীমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা যায়। ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন বলেন, ন্যাশনাল লাইফের কর্মীরা গ্রাহকদের বাড়িতে গিয়ে বীমার অর্থ পৌঁছে দেন। এতে গ্রাহকদের মধ্যে কোম্পানিটির প্রতি আস্থা বাড়ছে। তবে কিছু বীমা কোম্পানি সময়মতো গ্রাহকের দাবি পরিশোধ করতে না পারায় খাতটিতে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ বর্তমানে গ্রাহকদের দাবি পরিশোধে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে বীমার অর্থ পাওয়ার অনিশ্চয়তা দূর হবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা খাতের প্রতি আস্থা ফিরে আসবে।
কাজিম উদ্দিন আরও বলেন, বীমা পেশা অত্যন্ত সম্মানের। বীমার মাধ্যমে মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে এ পেশার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরাও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মধ্যে প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।
