শেয়ারবাজারে টানা আট সপ্তাহের পতন, একদিনেই উধাও ৯ লাখ কোটি টাকা
পুজোর মাসের প্রথম দিনেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ভারতের শেয়ারবাজার। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিনভর পতনের পর বড় ধরনের লোকসানে লেনদেন শেষ করেছে সেনসেক্স ও নিফটি। এর মধ্য দিয়ে টানা আট সপ্তাহ ধরে পতনের ধারায় থাকল দেশটির শেয়ারবাজার।
এদিন লেনদেন শেষে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) প্রধান সূচক সেনসেক্স ৫৭০ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৯ শতাংশ কমে ৭১ হাজার ৯০৯ দশমিক ৭০ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
একইভাবে জাতীয় স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) প্রধান সূচক নিফটি-৫০ কমেছে ...
পুজোর মাসের প্রথম দিনেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ভারতের শেয়ারবাজার। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিনভর পতনের পর বড় ধরনের লোকসানে লেনদেন শেষ করেছে সেনসেক্স ও নিফটি। এর মধ্য দিয়ে টানা আট সপ্তাহ ধরে পতনের ধারায় থাকল দেশটির শেয়ারবাজার।
এদিন লেনদেন শেষে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) প্রধান সূচক সেনসেক্স ৫৭০ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৯ শতাংশ কমে ৭১ হাজার ৯০৯ দশমিক ৭০ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
একইভাবে জাতীয় স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) প্রধান সূচক নিফটি-৫০ কমেছে ১৯৮ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৮ শতাংশ। দিন শেষে সূচকটি অবস্থান করছে ২২ হাজার ৪২১ দশমিক ৯৫ পয়েন্টে।
বাজারের এই পতনের ফলে বৃহস্পতিবার একদিনেই মুম্বাইয়ের শেয়ারবাজার থেকে প্রায় ৮ দশমিক ৭ থেকে ৯ দশমিক ৫ লাখ কোটি টাকা বাজারমূল্য কমে গেছে।
এদিন বড় ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানির শেয়ারেও চাপ দেখা গেছে। নিফটি মিডক্যাপ ১০০ সূচক ১ দশমিক ০১ শতাংশ এবং নিফটি স্মলক্যাপ ১০০ সূচক দশমিক ৯৭ শতাংশ কমেছে।
বাজারে অস্থিরতার মাত্রাও বেড়েছে। ইন্ডিয়া ভিআইএক্স সূচক ৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেড়ে ১৪ দশমিক ৫০ পয়েন্টে উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে বাজারে পতন অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ২০০১ সালের পর এমন দীর্ঘ সময় ধরে বাজার নিম্নমুখী থাকার নজির আর দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে বাজারের পরবর্তী গতিপথের দিকে এখন নজর বিনিয়োগকারীদের। আগামী ৫ থেকে ৭ অক্টোবর ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের (আরবিআই) মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সুদের হার নিয়ে সেখানে কী সিদ্ধান্ত আসে, সেটিও শেয়ারবাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দিনের শুরুতে সূচকের পতন আরও তীব্র হলেও লেনদেনের শেষ দিকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা দেখা যায়। তবে তাতে দিনের বড় লোকসান কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।
