নিউজিল্যান্ড ডেইরির কাছে ১১ লাখ টাকার ভ্যাট দাবি
ভ্যাট পরিশোধ না করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতায় অবস্থিত নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেডকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ-ভ্যাট)। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ১১ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৩ টাকা অনাদায়ী ভ্যাট দাবি করা হয়েছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এ নোটিশ জারি করা হয়। কমিশনার সৈয়দ আতিকুর রহমানের সই করা নথির বরাতে এসব তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ ...
ভ্যাট পরিশোধ না করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতায় অবস্থিত নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেডকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ-ভ্যাট)। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ১১ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৩ টাকা অনাদায়ী ভ্যাট দাবি করা হয়েছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এ নোটিশ জারি করা হয়। কমিশনার সৈয়দ আতিকুর রহমানের সই করা নথির বরাতে এসব তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টসের ভ্যাট পরিশোধের হিসাব পর্যালোচনা করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন খাতে ভ্যাট অপরিশোধিত থাকার তথ্য উঠে আসে।
নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মেয়াদে মশলা বিক্রির বিপরীতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সুবিধা ও অন্যান্য হিসাব সমন্বয়ের পর অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ ২৬ হাজার ২১১ টাকা।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটির অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ লাখ ৫২ হাজার ৪১২ টাকা।
দুই মেয়াদ মিলিয়ে মোট ১১ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৩ টাকা ভ্যাট অনাদায়ী রয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এ অর্থ আদায়ের লক্ষ্যে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৭৩, ৪৫ ও ১৬০ ধারার অধীনে নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ভ্যাট অপরিশোধের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২৭ অক্টোবর ব্যক্তিগত শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অথবা তাঁর মনোনীত প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব না দিলে কিংবা শুনানিতে উপস্থিত না হলে নথিতে থাকা তথ্য ও দলিলের ভিত্তিতে একতরফাভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইন অনুযায়ী জরিমানা আরোপের ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
